পুষ্টিকথা

তরমুজ

ট্রেক্সাস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রুলিন (অ্যামাইনো অ্যাসিড)। সাইট্রুলিন মানবদেহে আরজিনিন নামক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যামাইনো অ্যাসিড উত্পাদনে বলিষ্ট ভূমিকা রাখে। আরজিনিন নাইট্রিক অক্সাইড উত্পাদন বৃদ্ধি করে রক্ত পরিবহনতন্ত্রকে উজ্জীবিত করে দেহের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোষ কলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করে। এর ফলে মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দৈনন্দিন কার্যক্রম সুচারুরূপে পালন করতে পারে, মানুষের বিপাকক্রিয়া সুসম্পন্ন হয় এবং কর্মশক্তি বৃদ্ধি পায়। নাইট্রিক অক্সাইড মানবদেহের রক্তনালীসমূহকে সম্প্রসারিত করে উচ্চ রক্তচাপ প্রশমনে সহায়তা করে। আরজিনিন মূত্রের মাধ্যমে দেহের বর্জ্য পদার্থ অপসারণের গতি বৃদ্ধি করে। আরজিনিন টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে নিষ্ক্রিয় ইনসুলিনকে সক্রিয় করে গ্লুকোজ বিপাকের হার বৃদ্ধি করে। তরমুজ শীতলকারক, তৃষ্ণা নিবারক, প্রশান্তিদায়ক, উচ্চ রক্তচাপ প্রশমক ও রক্তের অতিরিক্ত জমাটবদ্ধতা প্রতিরোধক।