ছাত্ররাজনীতির নামে অপরাজনীতি বন্ধ করতে হবে
প্রকাশ : ০২ মে ২০১৪, ২১:৪২
ছাত্ররাই হলো আগামী দিনের ভবিষ্যত্। তারাই অগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। এই কারণে তাদেরকে নেতৃত্বের উপযোগী করে তোলার জন্য ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন রয়েছে। তাই বলে ছাত্ররা রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করবে এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আবার রাজনৈতিক দলগুলোও ছাত্রদেরকে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করবে এটাও গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অস্থিরতা চলছে তার পেছনে রয়েছে অমাদের দেশের অপরাজনীতির প্রভাব। ছাত্ররাজনীতি বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর পকেটবন্দি হয়ে আছে। তাছাড়া নীতিহীন রাজনীতির ফলে ছাত্রনেতাদের অনেকের মধ্যে আজ ব্যক্তিগত স্বার্থের বিষয়টা প্রাধান্য পাচ্ছে। এর ফলে তারা ছাত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। বরঞ্চ তারা রাজনৈতিক দলগুলো দ্বারা ব্যবহূত হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের স্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে তারা। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্থিরতা বাড়ছে। আর আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। অথচ আমাদের জাতীয় ইতিহাসে রয়েছে ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। এই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হলে ছাত্রসংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি বাদ দিতে হবে। আর রাজনৈতিক দলগুলোকেও ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ পরিহার করে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ছাত্রদেরকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশ কৃষি বিদ্যালয়