রাজধানীতে অপহরণ ঠেকাতে ডিএমপির বিশেষ স্কোয়াড

রাজধানীতে অপহরণ প্রতিরোধে একটি বিশেষ টিম (এন্টি কিডন্যাপিং স্কোয়াড) গঠন করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা। অপহরণ ও গুমের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (গোয়েন্দা) মনিরুল ইসলাম। গতকাল শনিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিয়ে তিনি জানান, ৪০ সদস্য নিয়ে গঠিত টিমের প্রধান করা হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ছানোয়ার হোসেনকে তিনি ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয় টিমেরও প্রধান। শুক্রবার থেকেই এ টিম আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে। এ টিমে রয়েছেন দুইজন সহকারী পুলিশ কমিশনার। এরা হচ্ছেনঃ এসএম নাজমুল হক ও জাহাঙ্গীর আলম। যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিশেষ টিম অপহরণ পূর্ববর্তী কার্যক্রমসহ সবধরনের সহযোগিতা এবং অপহরণে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে কাজ করবে। এই শাখার সহযোগিতা পেতে অথবা যে কোনো তথ্য জানাতে চারটি ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলোঃ ০১৭১৩৩৯৮৩২৭, ০১৭১৩৩৯৮৬১৯, ০১৭১৩৩৭৩২১৪ ও ০১৭১৩৩৭৩২১৬। তিনি বলেন, অপহরণকারীদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে এই স্কোয়াডে তা জানাতে বলা হয়েছে। গোপন রাখা হবে তথ্যদাতাদের পরিচয়। ডিএমপি এলাকার বাইরে থেকেও এই টিমের কাছে হট লাইনে নম্বরে ফোন করে অপহরণের বিষয়ে যে কেউ তথ্য জানাতে পারবেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের বিষয়ে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, আমরা বহুবার পুলিশ, র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া সদস্যদের গ্রেফতার করেছি। এদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। গত দুই বছরে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৬২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া সদস্য। এন্টি কিডন্যাপিং স্কোয়াড টিমের প্রধান এডিসি ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমরা শুক্রবার থেকে কাজ শুরু করেছি। শুরুতেই আমরা পুরনো ঢাকার অপহূত ব্যবসায়ী মো. হামিককে উদ্ধার ও জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ না, কারণ আমরা প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এবং অপহরণ নিয়ে কাজ করছি। শুধু আমাদের কাজের পরিধি বৃদ্ধি করেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পূর্বে যেসব অপহরণ হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা যদি সে মামলাগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করে তাহলে আমরা তা দেখব।