দর্শকদের নতুন কিছু না দিলে দেশি চ্যানেল কেউ দেখবে না
প্রকাশ : ০৫ মে ২০১৪, ২০:২৬
অনেকদিন ধরে কোনো নতুন খবরে নেই তিনি। নতুন একটি ছবি পরিচালনার খবর শোনা গেল। কলকাতার সব্যসাচী চক্রবর্তীকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংও চলল বেশ কিছুদিন। কিন্তু এরপর অনেকটা চুপচাপ। আভ্যন্তরীণ ঝামেলা বলেই এড়িয়ে গেলেন আফসানা মিমির প্রডাকশন। নতুন কিছু খবর নিয়েই মুখোমুখি হলেন বিনোদন প্রতিদিন-এর। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু
কেমন আছেন? হঠাত্ করে ডুব দিলেন মিডিয়া থেকে...
আসলে ডুব দেওয়া না এটা। একেবারে নিজের মতো করে প্রডাকশনগুলো গোছাচ্ছিলাম। সে কারণেই হয়তো মিডিয়ার খোঁজখবর রাখতে পারিনি।
‘নস্টালজিয়া’ নামের নতুন একটি অনুষ্ঠান নির্মাণ করছেন। আলাদা কীু থাকছে?
এটার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের যে আমন্ত্রণপত্র সেখানেই বৈচিত্র্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আসলে ‘নস্টালজিয়া’য় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে বাঙালির অকৃত্রিম খাদ্য-সংস্কৃতির সামগ্রিক বয়ান। সঞ্চালনার ভূমিকায় দেখা যাবে ডিজাইনার চন্দ্রশেখর সাহাকে।
তাহলে কি এটা ফুডবেসড লাইফ স্টাইল প্রোগ্রাম?
না, সেটা নয়। এখানেই ব্যতিক্রম। দর্শকেরা দেখলেই এটা বুঝবেন। এটাকে আমি বলছি ধারাবাহিক ডকু-ফিকশন। চলতি মাস থেকেই টেলিভিশনের পর্দায় এর সম্প্রচার শুরু হবে।
আর আপনার ছবির খবর কীু?
ছবির কাজ খুব শিগগিরই শুরু করব। অনেকখানি কাজ এগোনোর পর বন্ধ রাখতে হয়েছে নানা কারণে। আবার শুরু হবে। এবং খুব শিগগিরই আমরা ছবিটি রিলিজের ব্যাপারেও সবকিছু চূড়ান্ত করব।
আর নতুন নাটক প্রডাকশনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি?
না, এখনও নয়। কারণ আমরা একটা বিষয়ের ওপরই খুব বেশি নজর দিই। আমরা এখন ‘নস্টালজিয়া’র প্রতিই বেশি ফোকাস রাখছি।
নাকি নাটক দিয়ে এখন আর সেইভাবে দর্শকদের আটকে রাখতে পারছেন না?
এটা তো স্বাভাবিক অভিযোগ। তবে দর্শকেরা আমার তৈরি নাটক দেখার জন্য বসে থাকত। আসলে দর্শকদের নতুন কিছু না দিলে দেশি চ্যানেল এখন কেউ দেখবে না। সে কারণেই ভিন্ন ভিন্ন আইডিয়া নিয়ে নতুন উদ্যোগে কাজ শুরু করেছি।