চলতি বছরেই সরকারি শেয়ার ছাড়ার নির্দেশ

চলতি বছরের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ২১ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার (অফলোড) নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার আহমেদ। জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রতিনিধিরা তাদের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অগ্রগতি সম্পর্কিত লিখিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পেশ করেন। সরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে কেউ কেউ আগামী জুন ও অক্টোবর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আর কিছু কোম্পানি এ মুহূর্তে শেয়ার ছাড়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়ার পর তারা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। জানা গেছে, গত ৫ বছরে মাত্র একটি সরকারি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। আর একটি কোম্পানি তালিকাভুক্তির আবেদন করেছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানি অতিরিক্ত শেয়ার বিক্রি করেছে। অথচ ২০১০ সালে সরকার ২৬টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দেয়। এরপর ২০১২ সালে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ২১ কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে শেয়ার ছাড়তে বলা হয়। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানিকে আরও শেয়ার বিক্রির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেয়া হয়। এদিকে গতকাল ডিএসইর সূচক ও লেনদেনে তেমন কোনো উঠানামা দেখা যায়নি। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৫টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৮টির, কমেছে ৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের।