সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির কারণে পিরোজপুরে বিদ্যুত্ থাকে না
প্রকাশ : ০৫ মে ২০১৪, ২২:০২
জোরে বাতাস বইলে, আকাশে মেঘ করলে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুত্ সরবরাহ গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরমে
পিরোজপুর অঞ্চলে বিদ্যুত্ সরবরাহ ক্ষেত্রে বাগেরহাট থেকে উপ-সঞ্চালন ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে গরম ও বর্ষাকালে গ্রাহকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জোরে বাতাস বইলে বা বৃষ্টি নামলে বন্ধ হয়ে যায় পিরোজপুর শহরসহ চারটি উপজেলার বিদ্যুত্ সরবরাহ।
অর্ধশত বছর আগে স্থাপিত উপ-সঞ্চালন ব্যবস্থার সময় উপযোগী রক্ষণাবেক্ষণ কাজ না হওয়ায় যেমন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এ অঞ্চলের বিদ্যুত্ সরবরাহ তেমনি ব্যবস্থাগত ত্রুটির কারণে বছরে এক কোটি টাকার সিস্টেম লসে্র কবলে পড়তে হয় বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষকে। বাগেরহাট গ্রীড সাব স্টেশন থেকে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ উপসঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে পিরোজপুরে প্রায় ৫০ বছর ধরে বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হচ্ছে। এ লাইনে পিরোজপুর জেলা শহরের পাঁচটি ফিডার, পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির মাধ্যমে সদর, নাজিরপুর, স্বরূপকাঠির একাংশ, কাউখালী ও জিয়ানগর উপজেলায় প্রতিদিন ১২/১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়।
স্বরূপকাঠির কৌড়িখারা বিসিক এলাকাসহ সন্নিহিত কুটির শিল্প, সদরের বাদুরা ও জিয়ানগরের পাড়েরহাট মত্স্য বন্দরের বিভিন্ন বরফ কলসহ ছোট ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠানও এ বিদ্যুত্ সরবরাহ এলাকাভুক্ত। ঝড়-বৃষ্টি হলে গাছ বা গাছের ডাল পড়ে বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকালে বা সন্ধ্যার পরে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদ্যুত্ বিভ্রাটের শিকার হন পিরোজপুরের গ্রাহকরা। ওজোপাডিকোর (ওয়েস্টার্ন জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী) পিরোজপুরের আবাসিক প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন জানান, লাইন শিফটিংয়ের জন্য টেন্ডার আহ্বান ও কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংগ্রহে সময় লাগায় কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছে।