আহসান উল্লাহ মাস্টারের দশম শাহাদাত্ বার্ষিকী আজ
প্রকাশ : ০৬ মে ২০১৪, ২১:১১
প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক কার্যকরী সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১০ শাহাদাত্ বার্ষিকী আজ। ২০০৪ সালের ৭ মে একদল সন্ত্রাসী টঙ্গীস্থ নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে আহসানউল্লাহ মাষ্টারকে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার রায় হয়। এ হত্যাকাণ্ডে বিএনপির সম্পৃক্ততা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে প্রধান আসামী বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে ফাঁসি ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করে আদালত। সেই সাথে ওই মামলায় ২৮জনের মধ্যে ২ জন খালাস পান। এরমধ্যে প্রধান আসামীসহ ১৭ জন দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দী রয়েছে। বাকী ১১ জন আসামী ভারত, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে পলাতক রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- মরহুমের গ্রামের বাড়ি পুবাইলে আজ সকাল ১০টায় শহীদ আহসাউল্লাহ মাস্টারের কবরে পুস্পার্ঘ্য নিবেদন, বেলা ১১টায় একই স্থানে কাঙালিভোজ, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অতঃপর দুপুর সাড়ে ১২টায় টঙ্গীর নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে কাঙালিভোজ, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা এবং বাদ জোহর জেলা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের উদ্যোগে গাজীপুর সদরে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা। শহীদ আহসানউল্লাহ মাষ্টারের বড় ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল এমপি তার পিতার ১০ম শাহাদ বার্ষিকীর কর্মসূচীতে গ্রামের বাড়ি হায়দরাবাদসহ টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীসহ সকল স্তরের মানুষকে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
আহসানউল্লাহ মাষ্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।