প্রবীণ বয়সেও তারুণ্যের সন্ধান

মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের শারীরিক নানা পরিবর্তন দেখা দেয়। প্রয়োজন হয় বাড়তি প্রাণশক্তির। আজকের টিপসটি একটি উদাহরণ দিয়ে লিখবো। একজন প্রাকটিচিং স্পেশালিস্ট হিসেবে সব বয়সের রোগীরাই আসেন। তবে ইদানিং বয়স্ক পুরুষ ও মহিলা রোগীরাও আসেন। গত সপ্তাহের কথা, একজন পিতৃতুল্য ভদ্রলোক আসলেন। বয়স ৮০ বছর পার করেছেন। বললেন, ডাক্তার সাহেব এ বয়সেও খানিকটা প্রাণ চঞ্চল থাকতে চাই। কোন ভূমিকা না দিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করলাম আপনার স্ত্রীর বয়স কত। প্রবীণ এ মানুষটি মৃদু হেসে ফেললেন। হ্যাঁ এ বয়সেও ভালো থাকা যায়। অন্তত: বিজ্ঞান তাই বলে। জাপানিজরা শত বছরেও কর্মঠ-সক্ষম থাকেন। আমাদের থাকতে দোষ কোথায়। যুক্তরাষ্টের মায়ো ক্লিনিকের একটি নিবন্ধ পড়তে গিয়ে প্রবীণ ভদ্রলোকের কথা মনে হলো। তাদের এডাল্ট হেলথ সেকশনে নানা পরামর্শ দেয়া হয়। এতে কি করে হ্যান্ড ওয়াশ করবেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কি ভ্যাকসিন নিতে হবে, কি খাবেন, কি খাবেন না, কখন ঘুমাবেন এবং সর্বোপরি লাইফ স্টাইল ও শারীরিকভাবে ফিট থাকার পরমার্শও দেয়া হয়। এ প্রসঙ্গে নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান, মদ্যপান পরিহার করা এবং চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী বছরে অন্তত: একবার প্যাথলিজিক্যাল ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে প্রবীণদের সুস্থ থাকতে হলে তারা যেন প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে না পড়েন তার জন্য পরিবারের অন্যান্য সকল সদস্যগণের নজর রাখা এবং কেয়ারিং করা বিশেষভাবে দরকার। দরকার মমত্ববোধ নিয়ে সহযোগিতার। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ