চট্টগ্রামের ২২টি চা বাগানে সেচ সংকট
সৈয়দ আবদুল ওয়াজেদ, চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৮ মে ২০১৪, ২২:৪৫
পানির অভাবে চট্টগ্রামের ২২টি চা বাগানে সেচ ব্যাহত হচ্ছে। গত বছরের কম বৃষ্টিপাত, এবারে গ্রীষ্মেও কৃম বৃষ্টিসহ দীর্ঘসময় তীব্র গরম তথা প্রতিকূল প্রাকৃতিক অবস্থার কারণে এখানকার চা বাগানগুলোতে চা গাছের চারার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক বাগানে বিপুল সংখ্যক চারা মরে গেছে। অনেক চারা রুগ্ন হয়ে পড়েছে। গত কিছুদিন কয়েক পশলা বৃষ্টি হলেও তা চা বাগানের চাহিদার তুলনায় কিছুই নয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রামের চা বাগানগুলো এবছরই বেশি সংকট মোকাবেলা করছে।
বৃহত্তর চট্টগ্রামে ২২টি চা বাগান রয়েছে। এসব বাগানের অধিকাংশ ফটিকছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
ফটিকছড়ির নেপচুন চা বাগানের ব্যবস্থাপক কাজী এরফান উল্লাহ ইত্তেফাককে জানান, চলতি গ্রীষ্মে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়েছে চা বাগানগুলোতে। ৪ ইঞ্চি থেকে সাড়ে চার ইঞ্চি বৃষ্টিপাত না হলে চা বাগানে সার প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না। বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় থাকতে থাকতে চা গাছের চারার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। গাছের চারার গোড়ায় আর্দ্রতা নেই বললেই চলে।
তিনি আরো জানান, এবারের গ্রীষ্মে চট্টগ্রামের চা বাগানগুলোর প্রাকৃতিক জলাধারগুলো গরমে ও খরায় শুকিয়ে গেছে। গত বছর কম বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃত্রিম জলাধারগুলোতে পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণ করে রাখা যায়নি। এরকম পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের চা বাগানগুলোতে চা উত্পাদন কমে গেছে। তিনি জানান, চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে চট্টগ্রামের চা বাগানসমূহে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। কাজী এরফান বলেন, চট্টগ্রামের চা বাগানগুলো এ বছরের মতো ভয়াবহ প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের মুখোমুখি আগে কখনো হয়নি।