র্যাবের সেই তিন কর্মকর্তা সেনা আইনের বাইরে
প্রকাশ : ০৮ মে ২০১৪, ২৩:১৪
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুলসহ সাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে সামরিক বাহিনী থেকে চাকরি হারানো র্যাবের সাবেক সেই তিন কর্মকর্তা অন্তরীণ নেই। তারা এখন সামরিক আইনের বাইরে। তবে তাদের গতিবিধি গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। সেনা সূত্রে জানা যায় যে, কাউন্সিলর নজরুলসহ সাতজনকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর তার শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যানসহ পরিবারের সদস্যরা র্যাব-১১ এর আদমজী এলাকার কার্যালয়ে যান। ঐ সময় র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তারিক সাঈদ মাহমুদ পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শহীদ চেয়ারম্যানসহ তারপরিবারের সদস্যদের বসিয়ে রাখেন। অপহরণকারীদের ধরতে ব্যর্থতার পরিচয় দেন। সাতটি হত্যাকাণ্ডে শহীদ চেয়ারম্যান সরাসরি র্যাবের তিন কর্মকর্তা জড়িত থাকার অভিযোগ করেন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তারিক সাঈদ মাহমুদ, মেজর আরিফ হোসেন ও নৌ বাহিনীর লে. কমান্ডার মাসুদ রানাকে চাকরি থেকে অবসরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সামরিক আইনানুযায়ী এটা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের হেফাজতে থাকা কোন জিনিসপত্র, এলপিআর ও রেশনিং কার্যক্রমের প্রশাসনিক বিষয়টি লগ এরিয়ার। তিন কর্মকর্তা লগ এরিয়ায় অন্তরীণ থাকার কোন সুযোগ নেই। অবসরে যাওয়ায় তারা আর সেনাবাহিনীতে নেই। যদি তারা সাতটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে তা হলে প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেফতার করবে। তাদের ব্যাপারে কার্যক্রম সেনা আইনের বহির্ভূত বলে সেনা সূত্রে বলা হয়। তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এখন শুধু এ ব্যাপারে জড়িত থাকার অভিযোগের পর অভিযোগ সবার মুখে মুখে। তদন্তে এখন পর্যন্ত কোন প্রমাণ মিলেনি। তিন কর্মকর্তার জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়টি র্যাব, পুলিশ ছাড়াও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে বলে জানা যায়।