দিনাজপুরে অপহূত ছাত্রী ২১ দিনেও উদ্ধার হয়নি

দিনাজপুরে কলেজ ছাত্রী দৃষ্টি সরকারকে (১৬) অপহরণ ঘটনার ২১ দিনেও পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্বিগ্ন পরিবার কন্যা উদ্ধারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অপহরণ মামলার বাদি দৃষ্টি সরকারের মাতা চন্দনা সরকার অভিযোগ করেছেন, আদর্শ কলেজের এইচএসসি’র ছাত্রী দৃষ্টি যখন কলেজে যাতায়াত করত তখন শহরের ঘাসিপাড়ার হিরুর পুত্র স্বপন (২২) তাকে উত্ত্যক্ত করতো। স্বপনকে এ বিষয়ে নিষেধ করলে সে পাল্টা অপহরণের হুমকি দিত। দৃষ্টির পরিবার এ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ছিল। গত ১৫ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে দৃষ্টি সরকার বড়মাঠে বৈশাখী মেলায় যাওয়ার পথে মিশন রোডস্থ কালেক্টরেট স্কুলের সামনে থেকে স্বপনসহ তার সহযোগী অজ্ঞাত আরো ৩ জন দৃষ্টিকে জোরপূর্বক একটি সাদা প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। কোতয়ালী থানার ওসি ইত্তেফাককে জানান, মামলা হয়েছে দৃষ্টিকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ তত্পর রয়েছে। তবে বিষয়টি প্রেমঘটিত ব্যাপার বলে জানান। চৌদ্দগ্রামে ২৯ দিনেও অপহূত যুবকের খোঁজ মিলেনি চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা \ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ২৯ দিনেও অপহূত মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক আবুল কাশেমের সন্ধান মিলেনি। সে উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কালিকসার গ্রামের মৃত সেরু মিয়ার ছেলে। সম্পত্তি দখলে নিতে নিকটাত্মীয়রা তাকে অপহরণ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, কালিকসার গ্রামের মৃত সেরু মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগম তার ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তিন বছর পূর্বে বসতবাড়ির এগার শতাংশ জায়গার মধ্যে চার শতাংশ আপন ভাগিনা প্রবাসী কবির হোসেনকে দান করেন। কয়েকমাস পূর্বে কবির হোসেন বিদেশ থেকে ছুটিতে এসে বাকি সাত শতাংশ জায়গা দিতে চাপ দেয়া হয়। এতে রাজি না হওয়ায় গত ৮ এপ্রিল সকালে কবির হোসেন কৌশলে প্রতিবন্ধী কাশেমকে দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বলে আমজাদের বাজার এলাকা থেকে সিএনজি বেবি টেক্সিযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইব্রাহিম মিয়া জানান, ‘প্রতিবন্ধী যুবককে উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’।