দুর্ভোগে তিন উপজেলার মানুষ
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
নাগেশ্বরী-ফুলবাড়ী ১৮ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন তিন উপজেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালে অল্পকিছুদিন এ সড়কে চলাচল করে উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতির ছয়টি বাস। পরে কুড়িগ্রাম জেলা মোটর মালিক সমিতি কুড়িগ্রাম-নাগেশ্বরী-ফুলবাড়ী পর্যন্ত আরো ছয়টি বাস চালু করে। সেগুলোর অধিকাংশই সে সময় নাগেশ্বরী পর্যন্ত এসে ফুলবাড়ী যেতে অপারগতা প্রকাশ করে। এ নিয়ে উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতি ও কুড়িগ্রাম জেলা মোটর মালিক সমিতির মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে এক সময় কুড়িগ্রাম জেলা মোটর মালিক সমিতি এ সড়ক থেকে তাদের বাসগুলো তুলে নেয়। এর কিছুদিন পর কোনো কারণ না দেখিয়ে উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতিও এ রুটে তাদের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। তখন থেকে এ পর্যন্ত এ সড়কে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী ও ফুলবাড়ী উপজেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষ। এদিকে দ্বিতীয় ধরলা সেতু দিয়ে লালমনিরহাট হয়ে সহজেই রংপুরে যাওয়া গেলেও সাধারণ পরিবহন না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিকল্প পথে কুড়িগ্রাম হয়ে রংপুর পৌঁছাতে তাদের প্রায় ১০ কিলোমিটার বেশি পথ পাড়ি দিতে হয়।
কুড়িগ্রাম জেলা বাস মিনিবাস ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন সাহা বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক যাত্রী ও বাস মালিকদের ব্যবসা আশানুরূপ না হওয়ায় বাস মালিকরা সে সময় এ সড়কে বাসগুলো চলাচল বন্ধ করে দেয়। লালমনিরহাট জেলা বাস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। লালমনিরহাটের রত্নাই ব্রিজটি ঠিক হলে পুনরায় বাস সার্ভিস চালু হতেও পারে।