যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল

জাপার সাবেক এমপি জব্বারের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট

জাতীয় পার্টির (এ) নেতা সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউটর জাহিদ ইমামের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ২ জুন পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগে রবিবার ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার একেএম নাসিরউদ্দিন মাহমুদের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা। জব্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ৫টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ জমা দেয়া হয়। তার অপরাধের ঘটনাস্থল মঠবাড়িয়ার ফুলছড়ি, নলী ও আগুলকাটা। তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ার জব্বার পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার মৃত সাদেন আলী ওরফে হাজী সমেদ আলী হাওলাদারের ছেলে। ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বারের শ্বশুর আরশাদ আলী ছিলেন প্রভাবশালী মুসলীম লীগ নেতা। জব্বার পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে জাতীয় পার্টির (এ) টিকিটে তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সাল থেকে আব্দুল জব্বার পলাতক রয়েছেন। অনেকের দাবি জব্বার যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন। গত ২৮ এপ্রিল আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে ট্রাব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরদিন ০রাষ্ট্রপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।