চট্টগ্রামের জামায়াতের ২১ নেতাকর্মী কারাগারে

দলীয় কার্যালয় থেকে আটক হওয়া চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের ২১ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত আগামী ১৮ মে গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করে। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম রহমত আলী গতকাল মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন। বিকাল পৌনে তিনটার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আটক জামায়াত নেতা-কর্মীদের আদালতে উপস্থিত করা হয়। সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গত সোমবার বিকালে নগরীর দেওয়ান বাজার এলাকায় দলীয় কার্যালয় থেকে মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলামসহ ২১ নেতাকে আটক করে পুলিশ। একই দিন গভীর রাতে এসআই ইমাম হোসেন বাদী হয়ে ২১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনের ৬-এর ১(ক) ধারায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। গতকাল তাদের এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে উপস্থিত করে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। গতকাল নগরীর দুইটি কলেজে অভিযান চালিয়ে শিবির সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিকালে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ও মহসিন কলেজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজ বুধবার বৃহত্তর চট্টগ্রামে আহূত সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফল করার আহ্বান জানিয়েছে মহানগর জামায়াত। হরতালে বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হলে পরিণতি সরকারের জন্য শুভ হবে না বলে দলের নেতারা সতর্ক করে দিয়েছেন। এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের ২১ নেতা-কর্মী গ্রেফতারে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। হরতাল ঠেকাতে সতর্ক পুলিশ আজ বৃহত্তর চট্টগ্রামে জামায়াতের ডাকা হরতালে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, হরতালে নাশকতা ঠেকাতে মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় জেলার সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও সীতাকুণ্ড উপজেলায় বিজিবিকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখা হয়েছে।