ঝড়ে শতাধিক বাড়ি ঘর বিধ্বস্ত, নিহত ১জন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সালথায় এবং ময়মনসিংহের মনোহরদীতে কালবৈশাখীর ঝড়ে শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত, এক শিশু নিহত এবং হাঁস-মুরগিসহ ফসলের ক্ষতি হওয়ার খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। ভাঙ্গায় শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা পৌরসভা, হামিরদী, আলগী, চান্দ্রা, তুজারপুর, চুমুরদী, আজিমনগর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়িসহ গাছপালা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। উঠতি ইরি ধানের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় মাসুদ তালুকদার (৪) নামে এক শিশু মারা গেছে। সে হামিরদী ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের মুক্তার তালুকদারের পুত্র। সালথায় মসজিদ মাদ্রাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত সালথায় একইদিন সন্ধ্যায় ঝড়ে মাদ্রাসা, মসজিদ, মুরগির ফার্ম, বসতঘরসহ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে যুবলীগ নেতা সোহাগ খান, শুকুর খান, ইলিয়াছ মাতুব্বর, মিল্টন মাতুব্বর ও লিটন মাতুব্বরের সাতটি মুরগির ফার্ম লণ্ডভণ্ড হয়। এতে প্রায় এক হাজার মুরগি মারা যায়। এ ছাড়া উপজেলার গোয়াপালপাড়া বাঁশতলা মসজিদ, ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফুকরা গ্রামে ১টি কওমি মাদ্রাসা, গোবিন্দপুর গ্রামে ২টি, জয়ঝাপ গ্রামে ৩টি, কানাইর গ্রামে ১০টি ও ভাবুকদিয়া গ্রামে ৬টি বসতঘর লণ্ডভণ্ডসহ ফসলের ক্ষতি হয়। ইউএনও বিশ্বাস রাসেল হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। মনোহরদীতে স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোতাশিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ঝড়ে গোতাশিয়া শুকুর মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনের চালা উড়ে গেছে। এ সময় বেলাব উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের কয়েক গ্রামের কাঁচা, আধা পাকা, পাকা ঘর-বাড়ি ও গাছপালার ক্ষতি হয়েছে।