মুজিবনগরে এসে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা উপলব্ধি করছি

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবি¬উ মজীনা বলেছেন, মুজিবনগরে এসে আমি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা উপলব্ধি করতে পারছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপে¬ক্স দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান। এই স্থানটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস জানতে পারবেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে মেহেরপুরের মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদ হোসেন, পুলিশ সুপার একেএম নাহিদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী প্রমুখ। এর আগে তিনি মেহেরপুর সার্কিট হাউজে র্পৌঁছলে ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়। পরে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করেন। ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা জানান, বুধবার বিকালে তথ্যমন্ত্রীর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাস্থ বাসভবন, বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুত্ সঞ্চালন লাইনের উপ-কেন্দ্র এবং দেশের বৃহত্তম গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ড্যান মজীনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মতো এমন গতিশীল, সৃষ্টিশীল, ধৈর্য্যশীল পরিশ্রমী মানুষ কোথাও দেখিনি। এ সময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সোহেল রেজা, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন প্রমুখ। চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, বুধবার সকালে ঝিনাইদহ থেকে মুজিবনগর যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গায় সংক্ষিপ্ত বিরতিকালে স্থানীয় জেলা প্রশাসনিক মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ের সরকারি গুরুত্বপূর্ন কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা বলেন, ‘আমি এলাকার সম্ভাবনা-সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের কথা জানতে এসেছি।’ রাষ্ট্রদূতের প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তাবৃন্দ এলাকায় উত্পাদিত কৃষি ভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য, একাধিক শিল্প-প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উজ্জল সম্ভাবনা এবং এলাকায় পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ না আসা সংক্রান্ত সমস্যার কথা উলে¬খ করেন। বেলা ১০টা থেকে পৌণে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে কোন সংবাদকর্মীকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি। বৈঠক শেষে ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়।