কক্সবাজার পাউবোর ৫৮০ কি.মি বেড়িবাঁধ অরক্ষিত
চকরিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৪, ২১:৩৮
কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার সাতটি পোল্ডারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বেশিরভাগই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এরমধ্যে মাত্র তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধে চলছে সংস্কার কাজ। বরাদ্দ না থাকায় অবশিষ্ট বেড়িবাঁধ সংস্কার কাজ থমকে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। শুধু দুই উপজেলাতে নয়, পুরো কক্সবাজার জেলার উপকূল জুড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একুশটি পোল্ডারে ৫৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধই এখন জনগণের নিরাপত্তার বদলে চরম হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থার কারণে দুই উপজেলার প্রায় ৭ লাখ মানুষ এখনো ঘূর্ণিঝড় আতংকে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, অপ্রতুল বরাদ্দে পানি উন্নয়ন বোর্ড জোড়াতালির মাধ্যমে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের সংস্কার করে আসছে প্রতিবছর। তবে এসব কাজ বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে ফের তলিয়ে যায়। এতে সরকারের দেয়া অপ্রতুল বরাদ্দের অর্থ সাশ্রয় হওয়ায় বদলে প্রতিবছরই হাওয়া হয়ে যাচ্ছে পানির সাথে মিশে। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলার ৫৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গেলবছর প্রায় ১২শ’ কোটি টাকার চাহিদা জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।
তবে চাহিদার পরিমাণ কাটছাঁট করতে করতে তুলনামূলক ছোট আকারে নামিয়ে আনা হলেও বেড়িবাঁধ সংস্কারে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়নি। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফয়জুর রব বলেন, চকরিয়া ও পেকুয়ায় সাতটি পোল্ডারের অধীন ২০৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। তারমধ্যে বেশিরভাগই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমানে দুই উপজেলায় মাত্র তিন কিলোমিটার এলাকায় বেড়িবাঁধ সংস্কার কাজ চলছে। বরাদ্দ না থাকায় অবশিষ্ট বেড়িবাঁধ সংস্কার করা যাচ্ছে না।