মংলায় জেলে পল্লীর রাজস্বের টাকা আত্মসাত্

সুন্দরবনের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়িতে দ্বিতীয় দফায় আবারো ৩ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়েছে। পূর্বের ঘটনায় এক বন কর্মীকে সাসপেন্ড ও ওসির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত শুঁটকি মৌসুমে বনবিভাগের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ি জেলেদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করে থাকে। গত মৌসুমে প্রায় দু’কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। এবার ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) শাহ আলম ও বিএম নজরুল কৌশলে ৩ লাখ টাকা জমা না দেখিয়ে তা আত্মসাত করেন। যা ফাঁস হয়ে পড়লে ডিএফও আমীর হোসেন ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন। তদন্তে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টির প্রমাণ মেলে। খুলনা বিভাগীয় বন সংরক্ষক কার্তিক সরকার ও সুন্দরবন পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) জানান, এর পূর্বে ২২ এপ্রিল দু’লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিএম নজরুলকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ও ওসি শাহ আলমকে ক্লোজ করে বাগেরহাট সদর দপ্তরে আনা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধান বন সংরক্ষকের কাছে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। ওসি শাহ আলম জানান, হিসাব-নিকাশে কোথাও ভুল হয়েছে। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা আত্মসাত করেননি।