লোকসভার স্পিকারসহ ধরাশায়ী হেভিওয়েট অনেক প্রার্থী

এবারের নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির সঙ্গে কপাল পুড়েছে কিছু হেভিওয়েট নেতাদেরও। যারা এক সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়ে সারা ভারত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন এমন প্রভাবশালী নেতারা এবার পরাজয়ের জালে বন্দি। হেরেছেন হঠাত্ করে আলোচিত হওয়া আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। বারানসিতে নরেন্দ্র মোদীর কাছে তিনি হেরেছেন ১ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে। লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারও পরাজয়ের স্বাদ নিয়েছেন। বিহারের সসারাম আসনে হেরেছেন তিনি। এই আসনে বিজেপি নেতা চেদি পাসওয়ান ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। হেরেছেন বিজেপির সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী যশোবন্ত সিং। বারমারে বিজেপির প্রার্থী কর্নেল সোনারাম চৌধুরীর কাছে হেরেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা যশোবন্ত সিং। আইন ও যোগাযোগ মন্ত্রী কপিল সিবাল দিল্লির চাঁদনি চকে হেরেছেন। এবার তার অবস্থান তৃতীয় স্থানে। অমৃতসরে হেরেছেন বিজেপির জ্যেষ্ঠ ও প্রভাবশালী নেতা অরুণ জেটলি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদ ফারুকাবাদ থেকে হেরেছেন বিজেপি নেতা মুকেশ রাজপুতের কাছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্দে হেরেছেন বিজেপি নেতা শরদ বানসোদের কাছে। এনসিপির সাবেক বেসামরিক বিমান মন্ত্রী প্রফুল পাটেল হেরেছেন বিজেপি প্রার্থীর কাছে। সাবেক টেলিকম মন্ত্রী মিলিন্দ দেওড়া হেরেছেন মুম্বাইয়ের আসনে। ন্যাশনাল কংগ্রেস নেতা ফারুক আব্দুল্লাহ শ্রীনগর আসন থেকে হেরেছেন পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির তারিক হামিদ কাররার কাছে। বিজেপির প্রার্থী কিরণ খের পরাজিত করেছেন কংগ্রেসের চারবারের এমপি ও সাবেক রেলমন্ত্রী পবন বানসালকে। বিজেপি নেতা সত্যপাল সিং উত্তর প্রদেশের ভগপত আসনে পরাজিত করেছেন আরএলডি নেতা ও বেসামরিক বিমান মন্ত্রী অজিত সিংকে। তবে বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা শাহনেওয়াজ হোসেন হেরেছেন বিহারের ভগলপুর থেকে ২ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে। কংগ্রেস প্রার্থী ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং টেকনোক্রাট নন্দন নিলকেনী হেরেছেন বিজেপির অনান্থ কুমারের কাছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ হেরেছেন জম্মু ও কাশ্মিরের উধামপুর লোকসভা আসনে। কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা সাবেক মন্ত্রী আম্বিকা সোনি হেরেছেন পাঞ্জাবের আনন্দপুর সাহাব লোকসভা আসনে। রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রধান লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে মিসা ভারতী ও স্ত্রী রাবরি দেবী হেরেছেন বিজেপি প্রার্থীদের কাছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস প্রার্থী গিরিজা ভিয়াস হেরেছেন বিজেপির চন্দ্র প্রকাশ জোশির কাছে। টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারির হোতা ডিএমকে নেতা এ রাজা হেরেছেন সি গোপালাকৃশনানের কাছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সচীন পাইলট হেরেছেন আজমের লোকসভা আসনে। কেন্দ্রীয় স্টিল বিষয়ক মন্ত্রী বেনি প্রসাদ ভার্মা হেরেছেন বিজেপির বর্ধন সিংয়ের কাছে।