বরিশাল বোর্ডে ৯০ শতাংশের উপরে পাস, ৪৭৬২ জনের জিপিএ-৫ লাভ

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৬৬ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৬২ জন শিক্ষার্থী। শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণাকালে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহ্ আলমগীর জানান, এবছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৭০ হাজার ৯২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ২৩ জন এবং ছাত্রী ৩৫ হাজার ৬৯ জন। পাস করেছে ৬৩ হাজার ৫৪৩ জন। যার মধ্যে ছাত্র ৩১ হাজার ৮৬১ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৬৮২ জন। এবারও শীর্ষে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এসএসসিতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সেরা ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এবারও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৫টি মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে সেরাদের একটি তালিকা করা হয়েছে বলে জানান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। ৫টি মানদণ্ডের বিবেচনায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের হার, পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সংখ্যা, জিপিএ’র গড় এবং প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানদণ্ডের এ প্রক্রিয়ায় বরিশাল ক্যাডেট কলেজে ৯১ পয়েন্ট পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে। বরিশাল সদর গার্লস স্কুল দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এ বিদ্যালয়ের ২৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪৪ জন। প্রাপ্ত পয়েন্ট ৮৬ দশমিক ৭২। বরিশাল জিলা স্কুল রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এ বিদ্যালয়ের ৩৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৬ জন। জিলা স্কুলের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৮৩ দশমিক ৯২। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পটুয়াখালীর দুমকির সৃজনী বিদ্যানিকেতন। এ বিদ্যালয়ের ৪৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ জন। ৫ম স্থানে রয়েছে ঝালকাঠী সরকারি বালক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ১৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৬ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ জন। পয়েন্টের ভিত্তিতে পঞ্চম স্থানের পর পর্যায়ক্রমে যারা বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তাদের মধ্যে প্রথমে রয়েছে পটুয়াখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ২২১ জন পরীক্ষার্থীর সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৬ জন। পাথরঘাটার তাছলিমা মেমোরিয়েল একাডেমীর ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন। বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ১৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ জন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। পিরোজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ১৬৪ জন পরীক্ষার্থীর সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন। গলাচিপা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। বাবুগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১০৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন। ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন। ঝালকাঠী হরচন্দ্রা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ১৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ জন। বাকেরগঞ্জ জেএসইউ বিদ্যালয়ের ১০৩ জনের মধ্যে ১০১ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ জন। পটুয়াখালী সরকারি জুবলি বিদ্যালয়ের ২২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২১৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন। রাজাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন। উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১ জন। বাউফল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। মুলাদী এম জেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯৪ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন।