পিরোজপুর থেকে অপহূত ছাত্র বাগেরহাটে উদ্ধার
প্রকাশ : ১৭ মে ২০১৪, ২২:৩১
মুক্তিপণসহ ৩ জন আটক
বন্ধুত্বের ছলে পিরোজপুরের এক এসএসসি শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের নিকট থেকে মুক্তিপণ হিসাবে দেয়া প্রায় দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অপহূত ছাত্রকে বাগেরহাট থেকে শুক্রবার উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অপহূত ছাত্রের নাম রাশেদুল ইসলাম হূদিক। তাকে মিরাজ (২০) নামের এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র গত শুক্রবার বিকালে বাগেরহাট নিয়ে গিয়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীদের ফোন পেয়ে হূদিকের বাবা ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম দুলাল মুক্তিপণের টাকা বিকাশের মাধ্যমে ময়মনসিংহের নান্দাইলের পাঠান। পুলিশ সুপার এ ঘটনা জেনে বাগেরহাট ও নান্দাইলের পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্রাকিং করে নান্দাইল থেকে এক লাখ ৭১ হাজার টাকাসহ রাজু ও অপু নামের অপহরণকারী চক্রের দুইজনকে গ্রেফতার করে। এদিকে বাগেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে মিরাজকে আটক ও হূদিককে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর গভীর রাতে তাদের পিরোজপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ সুপার এস এম আক্তারুজ্জামান জানান, ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র মিরাজ পিরোজপুরের কাউখালীর হোগলা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। মিরপুর শাহআলী থানায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। মিরাজের ব্যাগে একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ক্যামেরা, চারটি মোবাইল সিম ও ২০টি ঘুমের ওষুধ পাওয়া গেছে। এদিকে হূদিককে অপহরণ করা হয়েছে নাকি মিরাজের সাথে পরিকল্পনা করে নিজের ব্যবসায়ী বাবার কাছ থেকে এই টাকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল এ নিয়েও রহস্য দেখা দিয়েছে।
গাজীপুর থেকে অপহূত যুবক শেরপুরে উদ্ধার
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, গাজীপুর থেকে সাইফুল ইসলাম সুমন (২৫) নামে এক অপহূত ব্যক্তিকে শুক্রবার রাতে শেরপুর থেকে উদ্ধার করেছে গাজীপুর অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াড। সে গাজীপুর মহানগরের মালেকের বাড়ি এলাকার রশিদের বাড়িতে ভাড়া থাকত এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের কালিয়াড়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।
প্রেস বিফ্রিংয়ে গাজীপুর অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াডের প্রধান ও গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের বাড়িতে যাবার জন্য গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তায় বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল। এমন সময় অপর এক যুবক তার সঙ্গে করমর্দন করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে ওইদিন রাত থেকে অপহরণকারীরা ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সুমনের ভাই মিজানুর রহমানের মোবাইলে ফোন দেয়। বিষয়টি অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াড জানতে পেরে সন্দেহভাজন অপহরণকারী লাল মিয়াকে আটক করে।