বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাইগামী ফ্লাইট বিজি-১৪৭ এয়ারক্রাফ্টের ছিনতাই চেষ্টা নস্যাতে সংশ্লিষ্ট ককপিট ও কেবিন ক্রুদের সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য সম্মাননা দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।
আজ রবিবার (২৬ মে) বিমানের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল প্রধান পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রুদের হাতে প্রসংশা পত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে বিমানের প্রধান কার্যালয়ের ডাটা সেন্টারে অগ্নি নির্বাপণে সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য বিমানের দুই আইটি কর্মীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় বিমানের পরিচালক প্রশাসন জিয়াউদ্দীন আহমেদ, পরিচালক প্রকিউরমেন্ট এ্যান্ড লজিস্টিক সার্পোট মো. মমিনুল ইসলাম, পরিচালক পরিকল্পনা, বিক্রয় ও বিপণন কমোডর মাহবুব জাহান খাঁন, পরিচালক গ্রাহক সেবা আতিক সোবহান এবং চিফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার বিনিত সুদ, মহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ শাকিল মেরাজসহ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তাঁর বক্তব্যে ওই দিনের ফ্লাইটের ক্রুদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন ও তাদের এই দক্ষতা ও সাহসিকতা ধরে রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ক্রুদের এই ত্যাগ ও দক্ষতা ক্রু-সহ বিমানের সকলকে অনুপ্রাণিত করবে।
আরো পড়ুন: ছেলের নাম ‘মোদি’ রাখলেন মুসলিম নারী
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- ক্যাপ্টেন মো. গোলাম শাফি, ফাস্ট অফিসার মুনতাসির মাহবুব, পার্সার শাফিকা নাসিম নিম্মি, জুনিয়র পার্সার হোসনেয়ারা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস শরিফা বেগম রুমা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড সাহেদুজ্জামান সাগর, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড মো. আব্দুস সাকুর মোজাহিদ, এ্যাসিটেন্ট সিস্টেম এ্যাডমিনিস্ট্রাক্টর তপু বডুয়া এবং সিনিয়র ডাটা প্রসেসিং এ্যাসিটেন্ট জহিরুল আলম চৌধুরী।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে একজন দুষ্কৃতিকারী। বিমানের পাইলট ও ক্রুদের বিচক্ষণতায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করেন পাইলট। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আট মিনিটের কমান্ডো অভিযানে ঘটনার সমাপ্তি ঘটে।
ইত্তেফাক/এমআই