কালীগঞ্জে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাদকদ্রব্য

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে অবাধ মাদক বাণিজ্য। পৌর এলাকার ভাদার্তী গ্রামে বসে মাদকসেবীদের মেলা। মাদকের স্পটগুলোতে দেখা যায় বিভিন্ন ব্রাণ্ডের কার, মটর সাইকেলসহ নানা ধরনের যানবাহনের ভিড়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের আশপাশ, গুদারা ঘাট, খাদ্য গুদাম এলাকা, মসলিন কটন মিল্স লিঃ, ভাদার্তী পুরাতন সাব রেজিস্ট্রি অফিস, পল্ল¬ী বিদ্যুত্ অফিস সংলগ্ন রাস্তা, মিল গেইট, আড়িখোলা, কাপাসিয়া রোড, জামালপুর বাজার ও গ্রামীণ টাওয়ার সংলগ্ন, বাসাইর মুচি বাড়ী, আলীরটেক, দোলান বাজার, ফুলদি বাজার, জাঙ্গালিয়া বাজার, নাগরী, উলুখোলা বাইপাস, সেনপাড়া, করান, ভাসানিয়া, মানিকপুর, ধনুন, দারকাভাঙ্গা, রাঙ্গামাটিয়া, জয়রামবের এলাকায় অবাধে চলে মাদক বিক্রি। পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের ভাদার্তী গ্রামে সন্ধ্যারপর বসে মাদকসেবীদের মিলন মেলা। মাদকসেবীদের মোটর সাইকেলের নিচে পড়ে ইতিপূর্বে এলাকার ২/৩ জন লোক মারা গেছেন। মাদক বাজারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বড় ধরনের ঘটনা না ঘটলেও সংঘর্ষ সেখানে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিক সূত্র ও কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী জানান, সন্ধ্যারপর নিজস্ব যানবাহনে ঢাকা থেকে আসা মাদকের চালান স্থানীয় কিছু রিকশা চালক, বেকার যুবক ও শিশুরা নানা স্পটে পৌঁছে দেয়। এজন্য স্থানীয় কিছু নেতার ছত্রচ্ছায়ায় গড়ে উঠেছে একটি চক্র। তারা প্রতি মাসে মোটা অংকের চাঁদা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে অবাধে মাদক ব্যবসা চালায়। এসব মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এসআই মাসুদ রানা শামীম ও এএসআই পিন্টু চন্দ্র সরকারকে বদলি করা হয়েছিল; কিন্তু বছর না পেরুতেই তারা আবারো কালীগঞ্জ থানায় পুনঃযোগদান করেছেন। কালীগঞ্জের ওসি মো. নাজমুল হক ভুঁইয়া থানার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে জানান, বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে জেলহাজতে পাঠানোর কারণে মাদকের ভয়াবহতা আগের তুলনায় অনেক কমেছে। বাকিদের নির্মূলের জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।