হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন ধরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ
হাকিমপুর(দিনাজপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২০ মে ২০১৪, ২২:৫৫
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বিজিবি’র হয়রানি বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের ডাকা ২য় দিনের হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে পালিত। হরতালে দোকানপাট ও সকল যানবাহন বন্ধ ছিল। ৭ম দিনে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় সরকার ৭ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে কাস্টমস চত্বরে সমঝোতা বৈঠক বসে কিন্তু বিজিবি উপস্থিত না থাকায় বৈঠক বিফলে যায়। হরতালের কারণে দেশের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে হিলি বন্দরের। ভারত থেকে আগত পাসপোর্টধারী যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। তারা দেশে প্রবেশের পর আর নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন না। বন্দর থেকে কোন পণ্য লোড-আনলোড করতে না পারায় বাড়ছে আমদানিকৃত ভারতীয় কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম। ৭ দিন বন্ধ থাকায় বন্দরের প্রায় ২ হাজার শ্রমিক ও কর্মচারী বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
হরতাল চলাকালে গতকাল দুপুরে চারমাথায় হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাসেম আজাদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন আমদানিকারক আবু তোরাফ, রবিউল ইসলাম সুইট, জামিল হোসেন চলন্ত, আজিজ সরদার, হানিফ লস্কর, ফেরদৌস রহমান, নজরুল ইসলাম প্রমুখ। তারা বলেন, এপার-ওপার সীমান্তে খালাসের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে প্রায় দেড় হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক। আটকাপড়া কাঁচাপণ্য পচতে শুরু করেছে। বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন ডিটেনশন চার্জ দিতে হচ্ছে। তাতে লোকসান দাঁড়াবে প্রায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকা। পথসভায় আবুল কাসেম আজাদ আবারও বুধবার হরতালের ডাক দেন এবং হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন করার জন্য সকলকে আহবান জানান। তিনি বিজিবির কাছে কোন পণ্য বিক্রি না করার জন্য হিলিবাসীকে অনুরোধ করেন।