তীব্র গরম পানি উঠছে না টিউবওয়েলে
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ মে ২০১৪, ২৩:১৭
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাটির অনেক নীচে নেমে গেছে পানির স্তর। নদী-নালা খাল-বিল শুকিয়ে গেছে অনেক আগেই। সমপ্রতি টিউবওয়েল থেকে প্রয়োজনীয় পানি বের না হওয়ায় সেগুলোও অকেজো হওয়ার সামিল। যার ফলে এ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৩ হাজারের মত পরিবার খাওয়ার পানির তীব্র সংকটে পড়েছে। অন্যদিকে কৃৃষি কাজেও পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ১ হাজারেরও বেশি কৃষক। প্রচণ্ড গরম আর পানি সংকটে যেন তাদের দুর্ভোগের অন্ত নেই। সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর, বোতলাগাড়ী, কামারপুকুর, খাতামধুপুর ও কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের পাশাপাশি সৈয়দপুর পৌর এলাকার প্রায় ৫টি ওয়ার্ডের মানুষ তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পানিটুকুও পাচ্ছেন না টিউবওয়েল থেকে। শহর ও গ্রামের কিছু বাড়িতে ভার্টিকেল যুক্ত টিউবওয়েল থাকায় সেখানে প্রয়োজনীয় পানি নিতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদ ও বাঙ্গালীপুর ইউপির চেয়ারম্যান ডা. শাহজাদা সরকার, পৌরসভার প্যানেল মেয়র জিয়াউল হক জিয়া বলেন, এবার পানির স্তর অনেক নীচে নেমে গেছে। নলকূপ থেকে পানি উঠানোর জন্য নতুন কিছু কৌশল শেখানো হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
খরতাপে পুড়ছে জীবননগর
জীবননগর সংবাদদাতা জানান, খরতাপে পুড়ছে জীবননগরসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা। মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে এ উপজেলায় ইতিমধ্যে ৯ বৃদ্ধ নারী ও পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। ডায়রিয়াসহ গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সসহ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী ভর্তি হচ্ছে।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়ক-মহাসড়কসহ হাট-বাজার ও মাঠ-ঘাট জনমানব শূন্য হয়ে পড়ছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এ সময়ে জীবননগরের তাপ মাত্রা ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি থেকে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করে। বুধবারও দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো জীবননগরে ৪৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গ্রীষ্মকালজুড়ে বৃষ্টি না হওয়ায় দাবদাহের মাত্রা বেড়েই চলেছে। ফলে মানুষ ও পশু-পাখির জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।