বাংলাদেশেই প্রথম সফরে আসতে পারেন মোদী
প্রকাশ : ২২ মে ২০১৪, ২৩:১৯
ভারতের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসতে পারেন। ঐ সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বহু প্রতীক্ষিত তিস্তার পানি-বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। ভারতের দৈনিক বিজনেস স্টান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, মোদীর সঙ্গে দীর্ঘ টেলিফোন আলাপে ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি শুধু নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশে সফরে আসার আহ্বান জানাননি বরং ঢাকাকে তার দ্বিতীয় বাড়ি মনে করতে বলেছেন।
শেখ হাসিনা ও মোদীর ফোনালাপে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে ছিলো। দুই দেশের সম্পর্ক আরো মজবুত করতে মোদী দৃঢ় ও অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আপত্তির মুখে ২০১১ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করতে ব্যর্থ হয়। এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মোদী তিস্তা চুক্তির বিষয়ে মমতাকে রাজি করাতে পারেন। ভারতের অন্যতম একটি জাতীয় ইস্যু হলো পানি।
কয়েকটি সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গের দুর্বল হয়ে পড়া অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে আর্থিক সহায়তা দিয়ে মমতাকে রাজি করাতে পারেন মোদী। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে মমতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন ইস্যুতে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকেও রাজি করাতে পারেন দায়িত্ব নিতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাবস্থা থেকেই চামলিংয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে তার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক স্থাপনে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হতে পারে মোদীর প্রথম পদক্ষেপ। ইতিমধ্যে তাঁর শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে অনুষ্ঠানে যোগদানে সম্মত হয়েছেন।