জীবননগরের ফিলিং স্টেশনে বোমা ফাটিয়ে ডাকাতি

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জীবননগরের কালীগঞ্জ সড়কে বিজিবি চেকপোস্টের অদূরে অবস্থিত জীবননগর ফিলিং স্টেশনে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। রাত ২টা ২০ মিনিটে মুখোশ পরিহিত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বোমা হাতে ১৫-২০ জনের একদল ডাকাত ফিলিং স্টেশনটিতে হানা দিয়ে পুলিশের পিকআপ ড্রাইভার, ফিলিং স্টেশনের নৈশপ্রহরী, ফিলিংম্যান ও ম্যানেজারকে জিম্মি করে ক্যাশ লুট করে। পলায়নকালে প্রতিরোধে এগিয়ে আসা পুলিশের উদ্দেশে বোমা নিক্ষেপ করে ডাকাত দল নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল জলিল জানান, ঘটনার ৫ মিনিট পূর্বে জীবননগর থানা টহল দলের একটি পিকআপ ভ্যান ফিলিং স্টেশনে আসে। পরে ফিলিং স্টেশনের অদূরে মহাসড়কে ওপর পিকআপ রেখে ড্রাইভার তার কাছে আসেন পেট্রোল নেয়ার ইনডেন্ট ফর্ম নিতে। ইনডেন্ট ফর্ম নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে সশস্ত্র ডাকাত দল ফিলিং স্টেশনটিতে হানা দেয়। এ সময় তারা ফিলিং স্টেশনের নৈশপ্রহরী শাহাদত্ হোসেন ও ফিলিংম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে বেঁধে মারপিট করে এবং তাদের কাছে থাকা মোবাইল সেট ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা ফিলিং স্টেশন ম্যানেজারের রুমের দরজা ভেঙ্গে ক্যাশ হতে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫৬ টাকা লুট করে। ডাকাতির শেষ মুহূর্তে পিকআপ ভ্যান হতে পুলিশ ও ফিলিং স্টেশনের ২শ গজ দূরে অবস্থিত জীবননগর সীমান্ত ফাঁড়ি বিজিবি ক্যাম্প হতে বিজিবি সদস্যরা ডাকাতি প্রতিরোধে এগিয়ে আসে। ডাকাত দল এ সময় পুলিশের উদ্দেশে শক্তিশালী একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লুটকৃত টাকা ও মালামালসহ ফিলিং স্টেশনের পিছনের মাঠ হয়ে বাঁকা গ্রামের দিকে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার অভিযোগ করে বলেন, ডাকাতিকালে এএসআই প্রসাদের নেতৃত্বে থানার টহল পিকআপ ফিলিং স্টেশনের প্রবেশের মুখে দাঁড়িয়ে থাকলেও তিনি ডাকাতি প্রতিরোধে সময়মতো এগিয়ে আসেননি।