পৃথক ঘটনায় পাঁচ খুন

বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় পাঁচজন খুন হওয়ার খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। বানারীপাড়ায় নাতির হাতে নানা খুন বরিশাল বানারীপাড়া উপজেলার উত্তরকুল গ্রামে গতকাল শুক্রবার ভোরে হাসেম ওরফে হাসু (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পাথর দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে নাতী। হাসেম পেশায় একজন ভিক্ষুক ছিলেন। এ ঘটনায় নাতী আলীকে পুলিশ আটক করেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসেম শারীরিক অসুস্থ থাকায় শুয়ে ছিলেন। এ সময় নাতি আলী তাকে ঘরামী বটি ও কাস্তে দিয়ে কুপিয়ে ও বুকে পাথর দিয়ে আঘাত করে তাকে আহত করে। বাংলা বাজারে ফার্মেসীতে চিকিত্সা দিয়ে বাড়িতে রাখা হয়। গতকাল শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদি হয়ে বানারীপাড়া থানায় ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ঝিনাইদহে প্রবাসী খুন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার করিঞ্চা গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুর রাজ্জাক (২৮) নামে এক প্রবাসী গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মহেশপুর থানার ওসি শাহাজাহান আলী জানান, মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাক ৬ মাস আগে ব্রুনাই থেকে বাড়িতে আসেন। ঘটনার দিন রাত ৮টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি। শুক্রবার সকালে গ্রামের মাঠের মধ্যে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেয়া অবস্থায় পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। নবীনগরে দুইজন খুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পৃথক ঘটনায় দুইজন খুন হয়েছেন। উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের সিদ্ধেশ্বরী নৌকাঘাট থেকে গতকাল শুক্রবার রাসেল (৩০) নামে এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভোলাচং গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধ হয়ে দাশেন মিয়া (৬২) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে লিল মিয়া ও তাজউদ্দিন আশংকাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ছাত্তার মিয়া ও দানা মিয়া নামে দুইজনকে আটক করেছে। নবীনগর থানার কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। আদমদীঘিতে যৌতুকের বলি গৃহবধূ বগুড়ার আদমদীঘিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে জেসমিন (২৫) নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন ও জসিম উদ্দীন নামে দুইজনকে আটক করেছে। স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন স্ত্রীর নিকট ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঘটনার দিন রাতে জেসমিনকে মারধর করে এবং জেসমিনের পরিবারকে মোবাইলে অসুস্থতার খবর দেয়। রাত পৌনে ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদি হয়ে পাঁচজনের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন।