বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাতার ইন্তেকাল
ফরিদপুর প্রতিনিধি ও মধুখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ মে ২০১৪, ২৩:৩১
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের মাতা বীরমাতা মকিদুননেছা (৯৪) আড়পাড়ার নিজ বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ..........রাজেউন)। তিনি ২ কন্যা সন্তান ও এক পালক পুত্র রেখে গেছেন। তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা শুক্রবার বেলা ১১টায় মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান ও দ্বিতীয় নামাজে জানাজা বাদ জুম্মা আড়পাড়া ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় । পরে তাঁর লাশ আড়পাড়া বাড়ির সামনে পূর্ব পাশে দাফন করা হয়।
আড়পাড়া ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা নামাজের আগে স্থানীয় এমপি ও জেলা প্রশাসক বক্তব্য রাখেন । পরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর পক্ষে সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, স্থানীয় এমপি আব্দুর রহমান, জেলা প্রশাসক আবু হেনা মোরশেদ জামান, জেলা পুলিশ সুপার জামিল হাসান, বিজিবির চুয়াডাঙ্গার লে. কর্নেল মনিরুজ্জামান, ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র মাহাতাব আলী মেথু, স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জানাজায় হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বীরমাতা মকিদুননেছা ১৯২০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর শোক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীরশ্রেষ্ঠ (ল্যান্স নায়েক) মুন্সী আব্দুর রউফের মাতা রত্নগর্ভা মকিদুননেছার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুকিদুননেছা রত্নের মত সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন। সে সন্তান দেশের স্বাধীনতার জন্য শহীদ হয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বীরমাতা মকিদুননেছার মৃত্যুতে আরও শোক জানিয়েছেন সংসদ উপনেতা ও ফরিদপুর-২ আসনের এমপি সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ এমপি, ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সন, জেলা প্রসাশক আবু হেনা মোরশেদ জামান, পুলিশ সুপার জামিল হাসান, মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান মঞ্জু।