চাটমোহরে হিটস্ট্রোকে মৃত ২

দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ। গতকাল পাবনার চাটমোহরে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দুই ব্যক্তি। অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন হিটস্ট্রোকে। দুপুরের দিকে রোদের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘর থেকে বেরোনো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া এসময়ে কেউ বের হচ্ছেন না। আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজশাহী, যশোর এবং কুষ্টিয়া অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ঢাকা বিভাগ এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্ট অঞ্চলসহ রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট ও ফেনী অঞ্চলে উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, চাটমোহরে গতকাল হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃতরা হলেন, পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের সজনাই গ্রামের বাসিন্দা পত্রিকা বিক্রেতা আফজাল হোসেন ও হরিপুর মসজিদপাড়া গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে শরীফ রহমান। আফজাল হোসেন প্রতিদিনের মতো আজ শুক্রবার পত্রিকা নিতে চাটমোহরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রচণ্ড গরমে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে দুপুরের দিকে শরীফ গরমে অসুস্থ হলে হাসপাতালে আনার পর মারা যান। এদিকে, প্রচণ্ড রোদ, তাপদাহ আর ভ্যাপসা গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের জনজীবন। তার ওপর বিদ্যুতের লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মানুষ। প্রচণ্ড গরমে মানুষ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন কৃষি শ্রমিক। প্রচণ্ড গরমে হাসফাঁস করছে প্রাণীকূল। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে নানা বয়সী মানুষ। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শতাধিত শিশু ভর্তি হয়েছে বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। খরায় মরে যাচ্ছে পাট গাছ। বৃষ্টির জন্য মানুষ এস্তেগফার নামাজ আদায় করছেন। প্রচণ্ড গরমে মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।