নজরুল
আমার
প্রাণ
প্রকাশ : ২৪ মে ২০১৪, ২১:২৪
নিরন্তর নজরুল গবেষণা ও সঙ্গীত চর্চা করে চলেছেন গুণী সঙ্গীতশিল্পী ড. লীনা তাপসী খান। আজ খুব সঙ্গত কারণেই একাধিক চ্যানেলের নজরুল ইসলামকে নিয়েই গাইবেন, কথা বলবেন বিভিন্ন চ্যানেলে। সেই কাজের ফিরিস্তিসহ সাম্প্রতিক প্রসঙ্গে মুখোমুখি হয়েছেন বিনোদন প্রতিদিনের
নজরুল জয়ন্তীতে আপনার ব্যস্ততা...
প্রথমে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই মিলে নজরুলের কবরে ফুল দিতে যাব। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা থাকব। সেখান থেকে মোহনা টিভিতে লাইভে অংশ নেবো। সেখান থেকে চ্যানেল আই-তে যাব। এরপর এন টিভিতে একটা অনুষ্ঠানে আমি উপস্থাপনা করবো এবং গানও গাইবো। তারপর রাতে একটি চ্যানেলের লাইভে অংশ নেবো। মোটামুটি এই নিয়েই আমার ব্যস্ততা।
নতুন যারা নজরুলসঙ্গীত করছেন তাদের মাঝে কতটা সম্ভাবনা দেখেন?
কিছুদিন আগেও আমি একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম যেখানে নতুনরা গান করেছিল। আমি দেখলাম তারা শিখছে এবং শেখার আগ্রহটা তাদের মাঝে আছে। আর যেমন তেমন গান করে নজরুলসঙ্গীত হয় না। ভেতরের সূক্ষ্ম কাজগুলো জানতে হয়। আর তা না হলে গান ফুটে উঠে না। তাই শিখে না আসলে তো ছিটকে পড়বে।
আপনার নতুন অ্যালবামের কবে আসছে?
গত বছর আমার মেয়ের সাথে একটা ডুয়েট অ্যালবাম করেছিলাম। আর এই বছরেও করবো। হয়তো বছরের শেষে এবার অ্যালবাম বের করবো।
নজরুলের প্রতি আপনার ভালোলাগটা শুরুর গল্প একটু বলুন?
আমার বাবা গান করতো এবং আমাদের ভাই বোনদেরও শেখাতো তাই আমারও সেখান থেকে গানের শুরু। বিভিন্ন গান করতাম। সেখান থেকেই নজরুলের প্রতি আমার ভালোলাগা শুরু।
দিবস এলেই আমাদের গণমাধ্যমগুলো পালনে হুমড়ি খেয়ে পড়ে, কিন্তু এরপর আর কোনো খোঁজ নেই। কী বলবেন?
এটা অবশ্যই একটা দুঃখজনক ব্যাপার। আমাদের গণমাধ্যমগুলো এখানে কোনো ইতিবাচক প্রভাব নেই। ‘ইত্যাদি’র মতো অনুষ্ঠান বা ঈদের কোনো অনুষ্ঠানে যদি একটি নজরুল সঙ্গীতের আয়োজন করা হয় এতে কোনো ক্ষতি তো নেই। কিন্তু আমাদের সেই মানসিকতাটা গড়ে উঠেনি। আমরা গুরুদের কদর করতে জানি না। তবে মিডিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা আবশ্যক।
আপনি নিজের দিক থেকে কী ভূমিকা পালন করছেন?
দেখুন নজরুল আমার প্রাণ। তাই এর ভেতরেই আমার সবটুকু ভালোলাগার নিঃশ্বাস।