মন খারাপের মহামিলনভঙ্গে তুর্কি নির্মাতার হাসি!

এদিনটা আসলে সকলের মন খারাপের দিন। কারণ সপ্তাহখানেকের এই মিলনমেলা শেষ করে ইমিগ্রেশন শেষ করে যখন এই লেখাটি লিখছি, আমারও মনে হচ্ছে, আরও ক’টা থাকলে নিজেকে আরও খানিকটা সমৃদ্ধ করতে পারতাম। বিশ্বের বাঘা বাঘা নির্মাতাকে পেছনে ফেলে উত্সবের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার পাম দ’র (স্বর্ণপাম) হাতে তুলে নিলেন তুরস্কের পরিচালক নুরি সেলান। নুরির সাথে আমার পরিচয় আগে থেকেই। ওর কাজের বেশ কিছুটা পোস্ট প্রোডাকশনের সময়ই দেখার সুযোগ হয়েছিল। তবে এবারে বেশি আলোচনায় ছিল হলিউডের ছবি। বরাবরই অফ ট্র্যাক ক্লাসিক ছবির এক ধরনের জয়জয়কার দেখা যায়। যা এর আগেও আমি লিখেছি। এবারেও তাই দেখা গেল। নুরির সাথে ক’দিন আগে দেখা হলে তার ছবি নিয়ে প্রত্যাশা জানতে চাইলে তিনি বললেন, ‘প্রত্যাশা তো অনেক। তবে এবারেরটা বোধকরি অনেকেই অন্য চোখেই দেখছে। আসলে আমি বোধহয় আরও ম্যাচিউরড হয়েছি।’ সবসময় বেশ মজা করে কথা বলেন নুরি। পুরস্কার হাতে বললেন, ‘এটা আমার জন্য অসামান্য একটা সম্মান।’ এটা বলতে বলতে ‘উজাক’ ও ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আনাতোলিয়া’-এর মতো ছবির এই নির্মাতার চোখ বেয়ে নেমেছে অশ্রুধারা। আনন্দাশ্রু! বাংলাদেশ সময় গত ২৪ মে রাত ১১টায় শুরু হয় সমাপনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বিচারকেরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিচারকদের প্রেসিডেন্ট জেইন ক্যাম্পিয়ন, সোফিয়া কাপোলা, লায়লা হাতামি, উইলিয়াম ডেফো, গায়েল গারসিয়া বার্নেলসহ অন্য সদস্যরা। সফল ‘সাদা ঈশ্বর’ :মূল প্রতিযোগিতা বিভাগের ফয়সালা আসার আগে ঘোষণা করা হয়েছে ‘আনসার্টেন রিগার্ড’ বিভাগের বিজয়ীদের নাম। এ বিভাগে সবচেয়ে বড় পুরস্কারটি জিতেছে হাঙ্গেরি, জার্মানি ও সুইডেনের যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘দ্য হোয়াইট গড’। এ বিভাগে জুরি প্রাইজ জিতেছে সুইডেনের ছবি ‘টুরিস্ট’। আল্পসে ছুটি কাটাতে যাওয়া একটি সুইডিশ পরিবারকে নিয়ে এ ছবির গল্প। বিশেষ পুরস্কার জিতেছে ভিম ভেন্ডার্স ও জুলিয়ান রিবেইরো সালগাদোর ছবি ‘দ্য সল্ট অব দি আর্থ’। এ বিভাগে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন ‘চার্লিস কান্ট্রি’ ছবির অভিনেতা ডেভিড গুলপিলিল।