নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকবো
প্রকাশ : ২৬ মে ২০১৪, ১৯:৪৭
পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় হতে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়েছে। অনেক পরিশ্রমে তার এ সাফল্য। শিক্ষার্থীর সাফল্যের নানাদিক নিয়ে সাক্ষাত্কার নিয়েছেন অনুশীলন বিভাগের প্রদায়ক ও শিক্ষক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
অনুশীলন: তোমার সাফল্যের পেছনে কার অবদান সব থেকে বেশি ?
অন্তরা: মায়ের। তবে বাবার অবদানও কোনো অংশে কম নয়।
অনুশীলন: পঠিত কোন বিষয়টি তোমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে ?
অন্তরা: ভূগোল। পৃথিবী সম্পর্কে নানা অজানা তথ্য আমাকে বেশ আভিভূত করেছে। পৃথিবীকে নতুন করে জানার সুযোগ হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই আমি খুব এডভেঞ্চার প্রিয় ছিলাম।
অনুশীলন: বাংলা সাহিত্য পড়তে গিয়ে কোন চরিত্রটা তোমার বিবেককে নাড়া দিয়েছে ?
অন্তরা:‘অপূর্ব ক্ষমার’ হাসান চরিত্রটা। হাসানকে তার স্ত্রী বিষপানে হত্যা করতে চেয়েছে। সে যখন তার স্ত্রীর দেয়া বিষপান করে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিল তখন সব জানতে পেরেও স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিয়েছে।
অনুশীলন: প্রতিষ্ঠান থেকে একাডেমিক যতটুকু সাপোর্ট তোমার পাবার কথা ছিল ,তার কতটুকু তুমি পেয়েছো সে বিষয়ে কিছু বলো।
অন্তরা: একাডেমিক সাপোর্ট যতটা প্রত্যাশিত ছিল, ঠিক ততটা পাইনি। তবে অনেক স্যারই খুব আন্তরিক ছিলেন। কোনো সমস্যায় পড়লে তাত্ক্ষণিক তার সমাধান পেয়েছি। ওয়ারেস আল কারনী স্যার তেমনি একজন।
অনুশীলন: ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও ?
অন্তরা: একজন আইনজীবী। ন্যায়ের কথা বলবো। কলম সত্যের কথা লিখবে। নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকবো।