একাউন্টিং প্রফেশনাল কোর্সে লেখাপড়া

পড়ালেখা করার পথে সবাই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলে। বর্তমানে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী জীবন গড়তে পুরো বিশ্বকে একটি গ্রাম হিসেবে বিবেচনায় রাখছে। ফলে সাধারণ ও গতানুগতিক একাউন্টিং শেখার পাশাপাশি তাদের শিখতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের হিসাবরক্ষণ কারিকুলাম। এ পর্যায়ে চাহিদায় এসেছে প্রফেশনাল একাউন্টিং বা ব্রিটিশ সিএ কোর্স। দিএসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্ট্যান্টস হচ্ছে আপডেটেড গ্লোবাল সিএ ডিগ্রি। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এসিসিএ, সিএটি, এফডি কোর্সটি একাউন্টিংয়ে বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে বিশেষ করে চীফ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক একাউন্টিং ফার্মে পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস এডভাইসর প্রভৃতি পদে কাজ করতে পারে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির সমমানের। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে পুরো বিশ্ব জুড়েই শিক্ষার্থীর সমান চাহিদা এবং কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। অন্যদিকে পরীক্ষা হয়ে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিলে। কাজেই মান নিয়ে কোনো সংশয় নেই। বাংলাদেশে এই কোর্সে সর্বাধিক সাফল্য রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের। এদের একাধিক ক্যাম্পাস ছাড়াও রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা দেবার সুযোগ। বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি। ফোন- ৮১৯১৬৬৩, ওয়েব পেজ -www.cucedu.com | কোর্সটি স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করা যায় এবং বিশ্বের যেকোনো দেশে রয়েছে কাজের সুযোগ। যেমন এসিসিএ বছরে ৩টি করে বিষয় পাস করলে প্রায় সাড়ে ৪ বছর আর ৪টি করে বিষয় পাস করলে সময় লাগবে সাড়ে ৩ বছর। এসিসিএ অনার্স ইন অ্যাপ্ল¬াইড অ্যাকাউন্টিং ৯টি পেপার ৯০০ নম্বর। এটি প্রতি বছর ৩টি পেপারে পাস করে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং ৪টি করে আড়াই বছরে পাশ করা যায়। এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা এফডি করতে সম্পন্ন হবে প্রায় ৮’টি বিষয়। এফডি শেষে সিএটি করতে আরো দুটি সাবজেক্ট সম্পন্ন করতে হবে। এরপর এসিসিএ করতে আরো তেরটি বিষয় সম্পন্ন করতে হবে। সরাসরি এসিসিএ কোর্সে বিষয় ১৪টি। অন্যদিকে এফডি করে সিএটি সহ এটি করলে সাবজেক্ট ২০টি। কোর্সটির সাথে বিবিএ এমবিএ’র সময়সীমা তুলনা করলে দেখা যাবে- এসএসসি পাশের পর এইচএসসি’র জন্যে দুই বছর, বিবিএ’র জন্যে ৪ বছর এমবিএ’র জন্যে ২ বছর অর্থাত্ প্রায় ৬ থেকে ৮ বছর অপেক্ষা করতে হয় । এক্ষেত্রে সময় বেশি লাগার কারণে খরচও বেশি হয়। কিন্তু এসএসসি/এইচএসসি’র পর যে কোনো শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হতে পারে, অর্জন করতে পারে একাউন্টিংস-এ অনার্স ডিগ্রি। এসিসিএ-তে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা দেওয়া যায়। এর পরীক্ষা পদ্ধতি যথেষ্ট সহজ। কোনো এক বিষয় ফেল করলে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। পরীক্ষা বছরে জুন এবং ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় হতে পারে। মতামত জানাতে ০১৭১৪-৭০৫৭২৭, anushilon.ittefaq10 @gmail.com