বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস

তাড়াশে গত ২১ মে বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়েছে। ৬টি এনজিও আয়োজিত এ দিবস পালনের প্রথমেই মনোজ্ঞ র্যালি উপজেলার রাস্তা-পথ প্রদক্ষিণ করে। আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক গবেষক, অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট আরবি কনসার্নের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। তাড়াশ উপজেলা সদরে লিডো স্কুলের হলরুমে তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কর্মকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সভা প্রধান জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা খাতুন মিনি, রুহুল আমিন, গাজী আফজাল হোসেন দারা, করিম বক্স, শফিউর রহমান, নির্মল চন্দ্র মাহাতো, এ্যাঞ্জেলা মার্কেলসহ প্রমুখ। প্রধান বক্তা জহিরুল ইসলাম বিশ্ব সাংস্কৃতিকি বৈচিত্র্য দিবসটির গুরুত্ব ও তাত্পর্য উল্লেখ করে বলেন ইউনিস্কো কর্তৃক ঘোষিত এ দিবসটি পালনে স্থান হিসেবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত চলনবিলের আদিবাসী অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলাতে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাড়াশ রায়গঞ্জ, সিংড়াসহ চলনবিল ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাসহ ১২টি উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ আদিবাসীর বাস। বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের বিচিত্র জীবন ধারণ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য লালন করে জীবন সংগ্রামে টিকে আছে তারা। তাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে লালন ও সংরক্ষণ করা দরকার। কালের অন্তরালে এ সংস্কৃতিকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে আদীবাসীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে গুরপিপুল বারাইক সম্প্রদায়ের নৃত্য শিল্পীগোষ্ঠী, গুল্টা আদিবাসী শিল্পীগোষ্ঠী ও বোয়াইল পুকুর আদিবাসী শিল্পীরা তাদের নৃত্য ও গান উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান আয়োজকদের মধ্যে ছিল বিপিএস, টিএসপি, ওরেডার, এইচ, জেএস, সিএসইউ ও আরলি কনসার্ন।