দুদেশের সম্পর্কের পিরামিড হবে ‘নজরুল তীর্থ’ :মমতা

কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতায় সদ্যনির্মিত ‘নজরুল তীর্থ’ ভবন উদ্বোধনকালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, এই তীর্থ হয়ে উঠবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের পিরামিড। তিনি বলেন, আমাদের স্বপ্ন ছিল নজরুলকে নিয়ে বহুধরনের কাজ করার। ইতিমধ্যে চুরুলিয়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা হয়েছে। দুর্গাপুরে কবির নামে বিমানবন্দর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কলকাতার এই নজরুল একাডেমিও আজ সম্পূর্ণ। এখানে কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণা হবে। গত সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার রাজারহাটে কয়েক একর জমি নিয়ে নির্মিত প্রায় এক লাখ বর্গফুটের সুরম্য নজরুল একাডেমী ভবন ‘নজরুল তীর্থ’ উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে রাজ্যের নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, কবি জয় গোস্বামী, নাট্যকার মনোজ মিত্র, বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম, কবির নাতনী কাজী অনিন্দিতাসহ কবির পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মমতা বলেন, বাঙালি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। বিশ্বে বাংলা ভাষার স্থান ৫ম। অতএব, এই জাতিকে হেলাফেলা করা যাবে না। ‘নজরুল তীর্থ’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই একাডেমিতে জড়ো হবে অসংখ্য মেধাশক্তি এবং নজরুলের গানের ক্যাসেটে ভরে উঠবে আর্কাইভ। তিনি আরো বলেন, আমরা যখন এসব কর্মযজ্ঞ শুরু করি ,কেউ কেউ আড়চোখে তাকিয়েছেন। বলে বেড়িয়েছেন, সংখ্যালঘুদের টাকায় এসব হচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের সাফ কথা-সংখ্যালঘুরাও তো মানুষ। নজরুল কবি, বড় কবি, কবিকে নিয়ে জাতের নামে এমন বজ্জাতি সহ্য করবো না। মুখ্যমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, সব ভেদাভেদ আর সব ধরনের সংকীর্ণতার উর্ধ্বে কবি নজরুলের বসবাস। তাঁর নামে গড়ে উঠা এই তীর্থ হয়ে উঠবে দুই বাংলার সংস্কৃতিচর্চার আরেক উত্স। বিস্তারিত কাল পড়ুন।