তথ্যপ্রযুক্তিতে কর অবকাশ সুবিধা বহাল থাকবে
প্রকাশ : ২৮ মে ২০১৪, ২৩:১৭
আসছে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অবকাশ সুবিধা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৪’-এর উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হলেও মূসক (মূল্য সংযোজন কর) বা ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে না। এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।
২০২১ সালকে সামনে রেখে যে ভিশন তৈরি করা হয়েছিল এতে ২০২১ সালে তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আর এক নম্বরে রাখা হয়েছে বস্ত্রখাতকে, এটা কর্মসংস্থানের জন্য সহায়ক। তিনি বলেন, আইসিটি সবকিছু স্বচ্ছ করে দেয় এবং এটা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী ৪ থেকে ৭ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৪’র প্রস্তুতি ও এর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, শিক্ষাবিদ ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও বেসিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বেসিস-এর পক্ষ থেকে বাজেটে ২০২১ সাল পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতকে কর অবকাশ সুবিধা প্রদান, ভ্যাট অব্যাহতি, অনলাইন টেন্ডার ও ই-কমার্স ব্যবহারকারীদের জন্য ভ্যাট হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ, শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট হ্রাসের দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে অন-লাইন টেন্ডার ও ই-কমার্স ব্যবহারকারীদের জন্য ভ্যাট হার ১০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবটি বিবেচনার আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী।
পিক আওয়ারে ২০ শতাংশ বিদ্যুত্
সাধারণ গ্রাহকদের বরাদ্দের নির্দেশ
একই বৈঠকে বিদ্যুতের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের বিদ্যুত্ উত্পাদন সক্ষমতা হচ্ছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু ৭ হাজার মেগাওয়াটও যথাযথ উত্পাদন করা সম্ভব হয় না। এজন্য পিক-আওয়ারে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য মোট বিদ্যুত্ উত্পাদনের ২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখার জন্য বিদ্যুত্ বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজন্য সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, আমাদের মোট উত্পাদন ক্ষমতার ৭০ ভাগের বেশি উত্পাদন সম্ভব হয় না। বিদ্যুতের বিদ্যমান ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন লাইন ভাল নয়। তবে এটা ঠিক যে, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আমরা অনেক বেশি বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছি, কিন্তু চাহিদার দিক থেকে এখনো সমস্যা রয়ে গেছে। এর কারণ হচ্ছে বড় বড় প্ল্যান্টগুলো বাস্তবায়নে যতটা অগ্রগতি হবে বলে আশা করেছিলাম, ততোটা হয়নি।