পুষ্টিকথা

নুনেশাক নুনেশাকের প্রধান সক্রিয় উপাদান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, অক্সালিক এসিড, ক্যারোটিন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ফসফরাস, আয়রণ, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, বি১, বি২ ও সি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা হ্রাস করে, উচ্চ রক্তচাপ প্রশমণ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নুনেশাক ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে এবং তৃষ্ণা নিবারণ করে ও উত্তাপজনিত মাথা ব্যথা দূর করে। গাজর গাজরে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন (ভিটামিন এ এর উত্স) শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বিটা ক্যারোটিন হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। বিটা ক্যারোটিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। শসা শসায় বিদ্যমান ক্যাফিক এসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ত্বকের কোমলতা ও লাবণ্য বৃদ্ধি করে। শসা শীতলকারক, প্রশান্তিদায়ক ও তৃষ্ণা নিবারক। শসায় প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ থাকায় কোষ্ঠ পরিষ্কারক হিসেবে এর জুড়ি নেই। শসা দেহের কোলেস্টেরল এর মাত্রা হ্রাস করে।