মদনে খেয়া পারাপার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩৫

শুক্রবার নেত্রকোনার মদনে খেয়া পারাপারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ৩৫ জন আহত হয়। থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে উপজেলার কদমশ্রী মনিকা গ্রামের মিলন মিয়া সীমের হাটি থেকে খেয়া পারের সময় একই গ্রামের খেয়ার মাঝি পার করতে বিলম্ব করায় মাঝি ও মিলনের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এতে একপর্যায়ে দু’জনের স্বজনরা সংঘবদ্ধ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে দু’পক্ষের মাঝে ৩৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে শামীম মিয়া (৩৫), আনোয়ার (৩০), সেকুল (৪০), আবাল মিয়া (৩৫), রেহান মিয়া (৫০), মনু মিয়া (৪৫), জুয়েল (৩৫), মনজু আক্তার (৬০), মুসলিম (৪৫), মন্টু মিয়া (৪০), আ. রহিম (২৮), পুতুল মিয়া (৫৫), রুবেল (১৮), মামুন (১৭), রফিক (২০), হীরন (২৫), আবুল মনসুর (৪২), ফুলচান (৬০), ফিরোজা আক্তার (৪০), বেরাজ আলী (৫৫) ও রুমান (২০) মদন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হয়। মহম্মদপুরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে ২৫ জন আহত মহম্মদপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা জানান, বিরোধপূর্ণ জমির দখল নেয়াকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার দুপুরে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে বিএনপি-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে ২৫ জন আহত ও ১০টি বাড়িতে ভাংচুর লুটপাট হয়েছে। হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ওহাব শেখসহ অন্যরা জানান, স্থানীয় মাঠে সোবহান শেখ নামে এক কৃষকের জমির মালিকানা দাবি করে আসছিল স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আলিম মাস্টার। যা নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু সমাধান হয়নি। এরই একপর্যায়ে গতকাল শুক্রবার সকালে আলিম মাস্টার তার লোকজন নিয়ে ওই জমির দখল নিতে যায়। এ সময় সোবহান শেখের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা আবু হানিফ ও তার লোকজন বাধা দিলে উভয়ের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের হামলা-পালটা হামলায় ২৫ জন আহত ও ১০ বাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট হয়। মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মৌলভীবাজারে চা শ্রমিক খাসিয়াদের সংঘর্ষে আহত ১৮ মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল নাহার চা বাগানে খাসিয়া ও চা শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাহার চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের ১৫জন আহত হয়েছে। এ সময় তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধরা হলেন- নিতাই চাষা (৩৫), রুবেল মিয়া (২৫) ও জি এম নাইড়ো (৪১)। তাদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সদর সার্কেল আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে নাহার চা বাগান এলাকায় বসবাসরত খাসিয়াদের উচ্ছেদ করতে যায় চা বাগান শ্রমিকরা। এ সময় উভয়পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ ও ১৫ জন আহত হন।