দুই হাজার দোকানে কেসিসি’র পাওনা ৬০ লাখ টাকা

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) সম্পত্তি শাখার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন মার্কেটের দুই হাজার একশ’ ঊনপঞ্চাশটি দোকানে বকেয়া রয়েছে অন্তত ৬০ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও এ বকেয়া টাকা আদায় হচ্ছে না। কেসিসি বলছে, দোকান বরাদ্দ নেয়া মালিকরা অপরিকল্পিত মার্কেট নির্মাণ ও অধিকাংশ মার্কেট চালু না হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে এ টাকা পরিশোধ করছেন না। কেসিসি সূত্র জানায়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি শাখার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন মার্কেটে ২ হাজার ১৪৯টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে কতগুলো হচ্ছে-কেডি ঘোষ রোডস্থ কেসিসি সুপার মার্কেটের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলায় ২৩৫টি, ক্লে রোডের পশ্চিম পাশে মার্কেটের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলায় ১৪৪টি, পানি সরবরাহ বিভাগের সামনে মার্কেটের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলায় ৫২টি, ক্লে রোড ট্যাংকের উত্তর ও পশ্চিম পাশের মার্কেটের নিচ ও দ্বিতীয় তলায় ৪৩টি ও ক্লে রোড ট্যাংকের উত্তর পাশে মার্কেটের ৩য় তলায় ১২টি, রূপসা সাহেবখালি খালের পাশে ৪৬টি, সদর হাসপাতালের সামনে ১৪টি, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের নিচ তলায় ১৫টি, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের নিচ তলায় ৫টি, ৫ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের নিচ তলায় ২৯টি, শেরে বাংলা রোডস্থ কেসিসি’র গ্যারেজের সামনে ৭টি, কেডিএ ঘোষ রোডস্থ টাইপ শেডে ৫টি, রূপসা বেড়িবাঁধ রোডের পাশে ৫৯টি, রূপসা কসাইখানার সামনে ৮টি, ট্রাক টার্মিনালের ট্রান্সপোর্ট ঘর ৩৯টি, বসুপাড়া কবর খানার পশ্চিম পাশে ২৪টি, শেখপাড়া সুপার মার্কেটে ৭৯টি, খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেটে অস্থায়ী দোকান ৭৭টি, বিভিন্ন স্থানের যাত্রী ছাউনির অভ্যন্তরে দোকান ৩টি, ক্লে রোডস্থ বাটা সু’র সামনে অস্থায়ী ৩৯টি, ক্লে রোডের ট্যাংকের পশ্চিম পাশে অস্থায়ী ২টি, পিকচার প্যালেস মোড়ে পেপার স্ট্যান্ডে ৪টি, পিসি রায় রোডের পাশে অস্থায়ী ৫টি, সদর হাসপাতালের পশ্চিম পাশে অস্থায়ী ৫টি। কেসিসি’র সম্পত্তি শাখার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন মার্কেটের এসব দোকানে বকেয়া রয়েছে অন্তত ৬০ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন হলেও এ বকেয়া টাকা পরিশোধ করছে না বরাদ্দ নেয়া দোকান মালিকরা। কেসিসি’র প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শাহনেওয়াজ তালুকদার জানান, দোকান বরাদ্দ নেয়া মালিকরা অপরিকল্পিত মার্কেট নির্মাণ ও অধিকাংশ মার্কেট চালু না থাকার অজুহাত দেখানোসহ নানা টালবাহানায় এ টাকা পরিশোধ করছে না। এ বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য নোটিস দেয়া হয়েছে। এমনকি অনেক দোকানের বরাদ্দ বাতিলও করা হয়েছে। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বকেয়া টাকা আদায় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।