বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪ আর বাকি ১১ দিন
প্রকাশ : ৩১ মে ২০১৪, ২৩:০৬
চার বছরের পথ পরিক্রমায় ক্রীড়া বিশ্বের দুয়ারে সমাগত আরো একটি বিশ্বকাপ ফুটবল আসর। ব্রাজিলের সাও পাওলোয় ২০তম বিশ্বকাপের উদ্ধোধন হবে স্বাগতিকদের সাথে ক্রোয়েশিয়ার খেলা দিয়ে। এরই মধ্যে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো একে একে তাদের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা দেয়া শুরু করেছে। গতকাল এ তালিকায় যোগ হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও রানার্সআপ নেদারল্যান্ডস।
বিশ্বকাপের প্রাক্কালে দুনিয়া জুড়েই এখন সাজ সাজ রব। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই তাতে। অন্তত সমর্থন বিচারে। যদিও এ দেশের সমর্থকরা মূলত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে ঘিরেই তাদের যাবতীয় উচ্ছ্বাস দেখিয়ে চলেছেন। এরপর সীমিত পরিমাণে হলেও আছেন জার্মানি, ইটালি, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড সমর্থক। স্থানীয় বাজারে ইতোমধ্যে এসব দলের পতাকা, জার্সি দেদার বিকোচ্ছে।
ব্রাজিল সবার আগে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ে নিজেদের অদম্য মনোবলের ব্যাপারটিই জানান দেয়। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে যাওয়া ৩২টি দেশকে ২ জুন সোমবারের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করতে হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ তার আগেই দল ঘোষণা করে দিয়েছে।
স্পেন কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক জানিয়েছিলেন, ইনজুরির কবলে পড়া তার ব্রাজিলীয় বংশোদ্ভূত দিয়েগো কস্তার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাকে নিয়েই দল ঘোষণা করেন তিনি। এ দলে আছেন গেল বিশ্বকাপ জয়ী দলটির ১৬ জন খেলোয়াড়। স্পেন শিরোপা ধরে রাখতে পারলে এটি হবে ২০০৮ ও ২০১২ সালের ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১০ বিশ্বকাপের পর চতুর্থ বড় ট্রফি জয়।
দক্ষিণ আমেরিকায় সফল হলে ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালের বিজয়ী ব্রাজিলের মতোই টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব দেখাবে স্প্যানিশরা। অপরদিকে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হওয়া ডাচরাও কাল দল ঘোষণা করে দিয়েছে। ডাচরা তিনবার রানার্সআপ হলেও এখনো প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্বাগতিক ব্রাজিল অবশ্য বিশ্বকাপ শুরুর প্রাক্কালে প্রতিবাদ বিক্ষোভে জেরবার। গেল বছর বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট কনফেডারেশন কাপের প্রাক্কালেও একই অবস্থা হয়েছিল দেশটিতে। সেবারও ব্রাজিলীয়রা তাদের জাতীয় দলের ক্রমশ ভাল ফলাফলের প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ থামিয়ে নেইমারদের পেছনে জড়ো হয়।