মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক ছাড়া স্বাধীনতা হত সুদূর পরাহত

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, ইত্তেফাক ও আওয়ামী লীগ ছিল অবিচ্ছেদ্য। সেই সময়গুলোতে মানিক মিয়া ও ইত্তেফাক না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা হয়তো সুদূরপরাহত হয়ে যেত। ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি-জেপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মানিক মিয়া তার মেধা ও সাহসী লেখনীর মাধ্যমে কয়েক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন। বন্দুক, এসএমজি’র চেয়েও তার কলমের শক্তি ছিল বেশি। এই ‘অস্ত্র’টি বঙ্গবন্ধুর হাতে ছিল বলেই বাঙালি জয়ী হয়েছিল। ‘এ অবৈধ সরকারকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা হবে’- গত বুধবার মুন্সীগঞ্জের জনসভায় দেয়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এই বক্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম জিয়া-আপনার সঙ্গে যারা আছেন আগে তাদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করুন। কারণ তারা আপনাকে ভুল পরামর্শ দিয়েছিলেন। আপনার লন্ডন প্রবাসী ছেলেকেও বিদায় করুন, সে আপনাকে কু-পরামর্শ দিচ্ছে। ছেলে ও আপনার পাশে থাকা বিএনপির এসব লোকদের বিদায় করতে না পারলে আপনার করুণ পরিণতি হবে।’ খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে নাসিম বলেন, ‘আপনি মাথা ঠাণ্ডা রেখে আমাদের সাহায্য করুন। অন্যকোন চিন্তা করে কিংবা অন্যদিকে গিয়ে কোনো লাভ হবে না। ২০১৯ সালের আগে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। কী কারণে হবে? কী কারণে আমরা ক্ষমতা ছেড়ে দেব? জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।’ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য খুনের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন। আমাদের আত্মউপলব্ধি হলো, এভাবে ভুল করা যাবে না। ভুল করলে অন্যরা সুযোগ পাবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মানিক মিয়া শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন দার্শনিকও। ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে তিনি সেই দর্শন প্রকাশ করতেন। সত্য প্রকাশে তিনি ছিলেন নিঃসংকোচ, যা সাংবাদিকদের কাছে একটি আদর্শ। জনগণের অধিকার আদায়ে একটি সংবাদপত্রের ভূমিকা কত বড় হতে পারে, মানিক মিয়া সেটি প্রমাণ করেছেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে ইত্তেফাকের উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন বলেন, মানিক মিয়া ছিলেন একজন রাজনৈতিক দার্শনিক। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি তার অবিচল বিশ্বাস ছিল। কারণ তিনি জানতেন এর সঙ্গে গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক উন্নয়নও জড়িত। জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহিম বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে মানিক মিয়ার বড় অবদান রয়েছে। দলের অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী বলেন, মানিক মিয়া শুধু সাংবাদিকতা করতেন না, রাজনীতিও করতেন। তবে তিনি নিজে রাজা হতেন না, অন্যদের রাজা বানাতেন। তার আদর্শ ধারণ করে আমরাও নিজেদের নির্ভীক ও সত্ নাগরিক হিসেবে গড়তে পারি। তার মতো মানুষের রাজনীতিতে এখন যেমন বড় অভাব, তেমনি সাংবাদিক সমাজেও। জেপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব খলিলুর রহমান খলিলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ হাই, জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নাজমুন নাহার বেবি, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, এমএ কাইয়ুম ও আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু প্রমুখ। জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মফিজুল হক বেবু, আমেনা বারী, এজাজ আহমেদ মুক্তা, আবু সাঈদ খান এবং কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম তপন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে গুলশান কার্যালয়ে গতকাল মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি তারানা হালিম এমপি। বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিকসহ সভাপতি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, সহ-সভাপতি অভিনেতা সৈয়দ হাসান ইমাম, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ড. ইনামুল হক, খায়রুল আলম সবুজ, টিপু মুন্সি এমপি, নূরজাহান মুক্তা এমপি, আবুল কালাম আজাদ এমপি, তাজুল ইসলাম এমপি, কেএম ফিরোজ, অরুন সরকার রানা, কবি হালিম আজাদ, কবি রবীন্দ্র গোপ, মনোরঞ্জন ঘোষাল, রোকেয়া প্রাচী, শিরীন বকুল, মোবারক আলী শিকদার, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইয়াদিয়া জামান, রত্না, রুহুন্নেছা রুনা, মোমিন মেহেদী, সোহেলী পারভীন মনি, সাদিয়া শারমিন টুকু, দিলীপ দাস, মো. রুবেল, মো. লিপটন। বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার যে ভূমিকা তা বাঙালি জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। মানিক মিয়া লেখনীর মাধ্যমে বাঙালি সমাজকে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে অগ্রসর করেছিলেন, জাগিয়ে তুলেছিলেন বাঙালি জাতিকে। আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত এবং বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামকে ইত্তেফাকের মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেছিলেন। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নাই। টাকার কাছে বিক্রি হননি। কোন সামরিক রক্তচক্ষুকে ভয় পাননি। তার মত নিষ্ঠাবান, সত্ সাংবাদিকের আজ বড় প্রয়োজন ছিল। মানিক মিয়া পরিষদের আলোচনাসভা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মানিক মিয়া পরিষদ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ যৌথভাবে আলোচনাসভার আয়োজন করে। রবিবার সকালে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এসভায় সভাপতিত্ব করেন শহীদ কাজী আরেফ ফাউন্ডেশন সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য, অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী। আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিল, কুয়েত- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, ন্যাপ-ভাসানী চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদ ভাসানী, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খোন্দকার তারেক রায়হান, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনউদ্দিন পাঠান, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গাজীপুর জেলার সভাপতি মুহাম্মদ শাহিন, মিরপুর থানা আওয়ামী লীগ নেতা আসম মোস্তফা কামাল, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা পল্লী সোসাইটির সভাপতি আলমগীর শেখ ও ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। মানবাধিকার ফোরামের আলোচনাসভা মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল মানবাধিকার ফোরামের উদ্যোগে সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরামের চেয়ারম্যান ও ঢাকাস্থ ধামরাই সমিতির আহবায়ক কাজী ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে মহাসচিব আফতাব হোসেন মোল্লা, দৈনিক ‘বাংলা সমাচারের’ মো. আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ ইয়ুথ ফ্রন্টের মৃনাল চৌধুরী, স্বাধীনতা সংসদের শাহেদ আহমেদ, খায়রুল বাসার জুয়েল, জাহাঙ্গীর কবিরসহ ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। মানিক মিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণের রূপকার চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রামে স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণের এক মহান রূপকার। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি নির্ভীক চিত্তে বাংলার মানুষের ন্যায্য অধিকারের কথা লিখে গিয়েছেন। গণমুখী সাংবাদিকতার পথিকৃত্ মানিক মিয়া আজও আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রেরণার উত্স হয়ে কাজ করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিল এ স্মরণসভা আয়োজন করে। এতে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও দৈনিক মুক্তবাণী’র প্রকাশক ববিতা বড়ুয়া, মঞ্জুরুল ইসলাম, ভানু চক্রবর্তী, সুজিত্ কুমার বড়ুয়া, তীপ্ত সাজু মহাজন, জয়নাল আবেদীন জুয়েল, মহিম উদ্দিন, রানা, রিপন, অনিক বড়ুয়া, অশোক ভট্টাচার্য, বাবলা সেন প্রমুখ। খুলনায় মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত খুলনা অফিস জানায়, মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী খুলনায় যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়েছে। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া পাঠাগার ও সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে গতকাল বাদ আসর নগরীর রেলওয়ে হাসপাতাল রোডস্থ বায়তুল নাজাত জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো:হায়দার আলী হাওলাদার। বক্তারা বলেন, মহান স্বাধীনতায় মানিক মিয়ার অবদান ছিল অপরিসীম। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত আপনজন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। তিনি সবসময় ছিলেন ন্যায় ও সত্যের পক্ষে। বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন হাওলাদার, মনিরুজ্জামান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান, সোহেল হাওলাদার, মো: ডালিম, নূরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, হারুন অর রশিদ, আব্দুর রাজ্জাক ভুঁইয়া, স্বপন, আলাউদ্দিন, আব্দুল হালিম প্রমুখ। পরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ওসমান গনি। গতকাল রবিবার বিকালে জাতীয় পার্টির (জেপি) উদ্যোগে নগরীর শেরেবাংলা রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহানগর ও জেলা জেপির নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠেনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জেপি খুলনা মহানগর শাখার আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল দেশবরেণ্য সাহসী সাংবাদিক তফাজ্জল হোসন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেপি খুলনা মহানগর শাখা আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেপি নেত্রী রাশিদা করিম। বক্তব্য রাখেন মহানগর শাখার সদস্যসচিব কাজী মাসুদ আহম্মেদ, চৌধুরী হাবিবুর রহমান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক অধ্যাপক মোশারেফ হোসেন, সদস্য সচিব সম হাফিজুল ইসলাম, হাজী গোলাম মোস্তফা, মো: নূরুল ইসলাম, মাহমুদ আলী, ডা. এনএম আলম, সেখ আ: সত্তার, এম নূরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজির মোল্লা, ফাতেমা ইয়াসমিন লিপি, পিনজিরা খানম, মো: রেজাউল করিম, মো: সেলিম রেজা প্রমুখ। সভায় মরহুম তফাজ্জল হোসন মানিক মিয়ার জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনাশেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জেপির নেতা ক্বারী আবুল খায়ের। সিলেটে মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালন সিলেট অফিস জানায়, মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল সিলেটে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাদ জোহর হযরত শাহজালাল (রহঃ) দরগাহ্ মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও সিলেট জেলা সভাপতি ইফতেখার আহমদ লিমন, ইত্তেফাকের সিলেট ব্যুরো চিফ ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা জেপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউনুস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সমরাজ আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিলসহ জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিকালে জেলা জেপির উদ্যোগে আলোচনা সভা পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেপির যুগ্ম মহাসচিব ইফতেখার আহমদ লিমন। বক্তারা বলেন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ক্ষুরধার লেখনি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।