ইংল্যান্ড ট্রাইব্রেকার হারই নিয়তি যাদের
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৪, ২২:২৩
টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত সবচে বেশিবার হতাশ হওয়া দলটির নাম ইংল্যান্ড। এখন পর্যন্ত তিনবার টাইব্রেকারে অংশ নিয়ে তিনবারই হতাশ হয়ে দল ছাড়তে হয়েছে ‘থ্রি লায়ন্সদের’। ফলে আরেকটি বিশ্বকাপ যখন আসি আসি করছে, তখন টাইব্রেকার নিয়ে ইংলিশ শিবিরে বাড়ছে শঙ্কাও।
সেই ১৯৭৮ বিশ্বকাপে ফিফা টাইব্রেকারের নিয়ম চালু করার পর ১৯৯০ সালে প্রথমবারের মতো এই ভাগ্য পরীক্ষায় পড়ে ইংলিশরা। ইতালির তুরিনে জার্মানির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথম টাইব্রেকার পরীক্ষাতেই ব্যর্থ হয় তারা। জার্মানির কাছে ৪-৩ গোলে হেরে বাদ পড়ে যায় তারা। পরে শিরোপাও জেতে জার্মানরা।
এর আট বছর পরে দ্বিতীয়বারের মতো পেনাল্টি ভাগ্যের মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড। ফ্রান্স বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ইংলিশদের ৪-৩ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট কাটে আর্জেন্টিনা।
আর সর্বশেষ ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপের শেষ আটে পর্তুগালের কাছে হেরে যেতে হয় তাদের। এবারের ফলটা ছিল ৩-১।
টাইব্রেকারে এখন পর্যন্ত ১৪টি শট নিয়ে মাত্র সাতটি শট জালে জড়াতে পেরেছে ইংল্যান্ড। তবে টাইব্রেকার ব্যর্থতায় ইংল্যান্ডের চেয়েও পিছিয়ে আছে সুইজারল্যান্ড। তিনটি শট নিয়ে একটিও জালে জড়াতে পারেনি তারা। ফলে শতকরা সাফল্যের বিচারে তাদের চেয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।
এদিকে ইংল্যান্ডের সমানই তিনটি টাইব্রেকার হার জুটেছে ইতালির ভাগ্যেও। তবে এই তিন হারের বিপরীতে একটি জয় নিয়ে ইংল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে আছে তারা। আর তাদের জয়টি তো এনে দিয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফিই। ২০০৬ সালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালে ৫-৩ গোলে জেতে জিয়ানলুইজি বুফনের দল।
পক্ষান্তরে টাইব্রেকারে সবচে সফল দলটির নাম জার্মানি। ১২ গজ দূর থেকে নেয়া শটগুলোয় জার্মানদের অতীত রেকর্ড বলছে সেটাই। এখন পর্যন্ত টাইব্রেকারে ১৮টি শট নিয়ে একবারই মাত্র গোল দিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ১৯৮২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উলি স্টাইলিকের নেয়া শটটি ঠেকিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক। যদিও ম্যাচ জেতে জার্মানরাই।—বিবিসি অবলম্বনে