সংবিধানে নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সিলেকশন নয়

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেছেন, ৫ জানুয়ারির ‘কথিত নির্বাচন’ আইনের চোখে কোন নির্বাচন নয়। এটা নির্বাচনের নামে তামাশা। এটা ইলেকশন নয়, সিলেকশন। তিনি বলেন, সংবিধান এ ধরনের নির্বাচনের কথা বলেনি। সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে, সিলেকশনের কথা বলা হয়নি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৯ ধারার বৈধতার চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত রিট মামলার রুলের চূড়ান্ত শুনানিতে আদালতে দাখিলকৃত লিখিত বক্তব্যে অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে ব্যারিস্টার রফিক এসব কথা বলেন। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে বৃহস্পতিবার তিনি এ বক্তব্য দাখিল করেন। এদিকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ব্যক্তিগত সমস্যার কথা উল্লেখ করে এ মামলায় অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে তার নাম প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করে। অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে ড. কামাল হোসেনের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করে ব্যারিস্টার রফিক বলেন, এক আসনে একের বেশি প্রার্থী থাকবেন না এমন ধারণা আধুনিক গণতন্ত্রে ভাবা যায় না। এমনকি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৯ ধারায়ও একাধিক প্রার্থীর কথা ভাবা হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারও মধ্যবর্তী নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছে। আমি আশা করি শিগগিরই অর্থপূর্ণ, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী সত্যিকার অর্থেই একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন চান, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয়। আমি মনে করি আরও দু’টি নির্বাচন অন্তর্বর্তীকালীন অথবা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে।