বাজেটে এবার ইসির বরাদ্দ কম
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০১৪, ২৩:৩৫
আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের নির্বাচনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য সোয়া ৭২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা গত ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের তুলনায় অর্ধেকের কম। বিগত অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। বরাদ্দ কমার কারণ হিসাবে ইসির অর্থ শাখার সংশ্লিষ্টরা ইত্তেফাককে বলছেন, আগামী অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ছাড়া বড় ধরনের কোন নির্বাচন নেই। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। নির্বাচনী ব্যয় খাতে গত বছর যেখানে ৯৮৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়, ওই খাতে এবার ৭৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দ ৭২৭ কোটি টাকার মধ্যে অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৪ কোটি টাকা। আর উন্নয়ন ব্যয় রাখা হয়েছে ৫১৩ কোটি টাকা।
গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনের জন্য ১ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ, উপজেলাসহ বিভিন্ন উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানে বরাদ্দ ছিল ৯৮৯ কোটি টাকা। ৬শ’ কোটি টাকা জাতীয় ও উপজেলা নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল।
এবার উন্নয়ন খাতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনসহ বিভিন্ন (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ) শূন্য আসনের উপ-নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১৩ কোটি টাকা। এ খাতে নির্বাচনের বাইরে চারটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো আইডিয়া প্রকল্প, ইআরসি, এসইএমবি ও সিসিএসএসইডি প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলোর সহায়তায় নির্বাচনের সরঞ্জামাদি কেনা হয়ে থাকে।
ঢাকা নয় চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন হচ্ছে ঃ আগামী বছরে নির্বাচন কমিশনের ‘নির্বাচনী ক্যালেন্ডারে’ সবচেয়ে বড় নির্বাচন হিসাবে দেখানো হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে। তাই এবারের বাজেটে এ নির্বাচনের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী বছর নির্বাচনের খাতে মোট ৭৮ কোটি টাকার মধ্যে ১২ কোটি টাকাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন ইত্তেফাককে বলেছেন, ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হলে বাজেট নিয়ে কোন সমস্যা হবে না।