টানা তৃতীয় ফাইনালে শারাপোভা

মারিয়া শারাপোভা প্রথম সেটে হেরে গিয়েও কানাডার ইউজিন বুচার্ডের বিরুদ্ধে জিতে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন। ২৭ বছর বয়সী রুশ তারকাটি আজ শনিবার রোমানিয়ার সিমনা হ্যালেপের মুখোমুখি হবেন। হ্যালেপ এই প্রথম কোন গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠলেন। ফরাসি রাজধানীতে ফাইনালের টিকিট পেতে বাড়তি ঘাম ঝরাতে হয়েছে সপ্তম বাছাই শারাপোভাকে। রোলা গ্যাঁরোতে সেমিফাইনালে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ও ২৭ মিনিট লড়াই শেষে বুচার্ডকে ৪-৬, ৭-৫ ও ৬-২ গেমে হারান এই রুশী। চতুর্থ বাছাই হ্যালেপ সেমিফাইনালে জার্মানির আন্দ্রে পেটকোভিচকে ৬-২ ও ৭-৬ (৭/৪) গেমে হারিয়েছেন। শারাপোভাকে সেমিফাইনাল পেরোতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। প্রথম সেটে বুচার্ডের কাছে ৪-৬ ব্যবধানে হেরে যান তিনি। কিন্তু দীর্ঘ লড়াইয়ে অভিজ্ঞতায় এগিয়ে যান শারাপোভা। পরবর্তী দুই সেটে বুচার্ডকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন তিনি। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং চতুর্থ রাউন্ডেও কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হয়েছিল শারাপোভাকে। বুচার্ডকে হারানোর পর ২০১২ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ী বলেন, ‘আমার প্রতিপক্ষ আজ (বৃহস্পতিবার) অসাধারণ খেলেছে। ব্যতিক্রম ধরনের টেনিস খেলেছে। তবে আমি আমার সেরা টেনিসটা খেলতে পেরেছি বলে হয়নি। মনে হয়েছে অনেক কষ্ট করে আমি জয়ের রাস্তা খুঁজে পেয়েছি। এরপরও এই জয়ে আমি সুখী এবং গর্বিত।’ মহিলা এককে দিনের অপর সেমিফাইনালে জয় পেতে মোটেও বেগ পেতে হয়নি সিমনা হ্যালেপকে। গেলবার এই টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ পড়া হ্যালেপ মাঝের সময়ে বিশ্বের ৫৭ নম্বর খেলোয়াড় হিসেবে সাতটি ডব্লিউটিএ শিরোপা ঘরে তোলেন। জার্মান পেটকোভিচের বিরুদ্ধে শেষ চারের লড়াইটি দেড় ঘণ্টায় শেষ করে দেন তিনি। প্রতিযোগিতার তিন নম্বর বাছাই হ্যালেপ বলেন, ‘প্যারিসে ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারাটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। ম্যাচটিতে জয়ের জন্য আমি সবকিছু দিয়েই চেষ্টা করেছিলাম। এই জয়ে নিজের মধ্যে এখন অনেক আত্মবিশ্বাস কাজ করছে। সত্যিই এখানে আমি ভাল খেলছি। কিন্তু পরবর্তী রাউন্ডে প্রতিপক্ষ হিসেবে মারিয়া অনেক শক্তিশালী হবে। কেননা সত্যিকার অর্থেই সে একজন চ্যাম্পিয়ন।’