মাইক্রোবাসের উপর শুল্ক আরোপে হতাশ ব্যবসায়ীরা

দেশে গণপরিবহনের এক প্রকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহূত মাইক্রোবাসের ওপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় এ খাতে বিরূপ প্রভাব পড়বে। একইভাবে ঘোষিত বাজেটে সাধারণ মধ্যবিত্তদের ব্যবহূত ১৫০০ সিসি পর্যন্ত কারের মোট কর পূর্বাবস্থায় থাকায় এ সকল কারের মূল্যের তেমন একটা পরিবর্তন হবে না। গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কর্তৃক পেশকৃত প্রস্তাবিত বাজেটে পুরাতন গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে যে শুল্ক কর ঘোষণা করেছেন তার প্রতিক্রিয়ায় গাড়ি ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে এ ধরনের মতামত পাওয়া যায়। তারা মাইক্রোবাসের উপর সম্পূরক শুল্ক আরোপে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। গাড়ি ব্যবসায়ীদের মতে, ১২/১৪ সিটের মাইক্রোবাস আমদানিতে এবার শতকরা ৩০ ভাগ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় প্রতিটি গাড়ি সাড়ে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, কারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১৫০০ সিসি’র গাড়ি সবচে বেশি আমদানি হয়ে থাকে। এর সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমানো হলে সাধারণ মধ্যবিত্তরা গাড়ি কেনার প্রতি আরো আগ্রহী হতো। গত চার বছর ধরে সম্পূরক শুল্ক অত্যধিক থাকায় ১৮০০ ও ২০০০ সিসি’র কোন সিডান কার এবং জীপ আমদানি তেমন একটা হয়নি। কিন্তু এবার ঘোষিত বাজেটে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমায় ১৮০০ ও ২০০০ সিসি’র গাড়ির আমদানি বেড়ে যাবে। এ সকল গাড়ির মূল্য ৫/৬ লক্ষ টাকা কমে যাবে। পুরাতন গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন বারভিডার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী বাবর ইত্তেফাককে বলেন, মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক আরোপের কারণে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আবার দীর্ঘদিনের দাবির পরও পুরাতন হাইব্রিড গাড়ি আমদানির সুযোগ না দেয়ায় হতাশা রয়েছে।