রফতানি খাতকে এগিয়ে নিতে ৮ সুপারিশ
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০১৪, ২৩:১৩
এবারের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থনীতির উন্নয়নে তথা রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে বস্তুনিষ্ঠ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মনে করছে রপ্তানিকারকদের সংগঠন ইএবি। তবে এ শিল্পকে আরো এগিয়ে নিতে হলে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। বাজেট প্রস্তাবনা নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বেশকিছু সুপারিশ করেছেন।
ইএবি বলছে, কোনো ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার ক্ষেত্রে ৪৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকার উপর বার্ষিক আয়ের বিপরীতে ৩০ শতাংশ হারে আয়কর নির্ধারণ এবং সম্পদের উপরে ১৫ শতাংশের বদলে ৩০ শতাংশ হারে সারচার্জ বৃদ্ধির ফলে পরোক্ষভাবে রপ্তানি খাতের ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি বাধার সম্মুখীন হবে। তাই এ কর প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।
প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতকে এগিয়ে নিতে হলে অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রস্তাব বাস্তবে রূপান্তর করতে হবে। একইসঙ্গে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এমন বিষয়গুলোতে সরকারের নজর দিতে হবে। অনুন্নত এলাকায় ১০ বছরের কর অবকাশই বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদেরকে উত্সাহিত করতে যথেষ্ট নয়। কর অবকাশের পাশাপাশি বিনিয়োগে আকর্ষণ বৃদ্ধি করার জন্য মেয়াদি ব্যাংক ঋণের সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিটে নির্ধারণ করতে হবে। এক শতাংশ হারে যে গ্রীন ট্যাক্স প্রস্তাব করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করে শিল্পাঞ্চলে সেন্ট্রাল ইটিপি স্থাপন করতে হবে এবং ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হারে) ইটিপি স্থাপনের ক্ষেত্রে সুবিধা দিতে হবে। শ্রমিক দক্ষতা উন্নয়নে প্রস্তাবিত ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিবর্তে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে হবে। বাস বারট্রাকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ৫ শতাংশ করের পরিবর্তে আগের মত দুই শতাংশ করতে হবে। উেস কর শূন্য দশমিক ৩০ হারে সকল রপ্তানি খাতের বিপরীতে নির্ধারণ করতে হবে। প্রস্তাবিত ৫টি ইপিজেড, পণ্য খাত ভিত্তিক নির্মাণের ব্যবস্থা, সকল রপ্তানির বিপরীতে অভিন্ন ডলার হার প্রবর্তন এবং গভীর সমুদ্র বন্দর দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করতে হবে। দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সার্বিক উন্নয়নে এসব প্রস্তাব অর্থবিলে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন ইএবি।