দৌলতপুরে ৩ হাজার বিঘা খাস জমি অবৈধ দখলে
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৪, ২২:২৭
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ৪২৬৯.৪২ বিঘা খাস জমির মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ২শ বিঘা খাসজমি অবৈধভাবে ভূমি দস্যুরা দখল করে রেখেছে।
এ ব্যাপারে সরকারি কোন উদ্যোগ না থাকায় অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে খাসজমি উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ভূমিহীন হতদরিদ্ররা খাসজমি বরাদ্দপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাছাড়া বেশিরভাগ খাসজমি প্রভাবশালী চক্রের দখলে থাকায় তা উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।
ভারত সীমান্ত সংলগ্ন কুষ্টিয়া জেলার ১৮০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দৌলতপুর উপজেলার লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ লাখ। এরমধ্যে শতকরা প্রায় ১৫ ভাগ মানুষ ভূমিহীন। যাদের বসতভিটার জন্য এক টুকরো জমিও নেই। ভূমি বিশারদদের মতে এখানকার খাস জমিগুলো সকল ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বণ্টন করে দিলে দৌলতপুরে কোন ছিন্নমূল বা ভূমিহীন মানুষ থাকার কথা নয়। অথচ কতিপয় কুচক্রীমহল ও ভূমিদস্যুরা এ সকল খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।
উপজেলা পরিষদের পাশে মানিকদিয়াড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাজুডাঙ্গা মৌজার অধীনে ১৭ শতাংশ জমি ঐ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ হিসাবে ছাত্র/ছাত্রীরা ব্যবহার করে আসলেও তিন বছর আগে কানাডা প্রবাসী ও আল সালেহ পাবলিক ওয়েল ফেয়ার নামক এনজিওর মালিক মোহাম্মদ আলী জমিটি জোর করে দখল করে নিয়ে উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘিরে নিয়েছেন।
আল্লারদর্গা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর উত্তরে চামনা মৌজার ১নং খতিয়ানের ৪৮নং দাগের ১০ শতাংশ জমি প্রভাবশালী এক শিল্পপতি দখল করে মার্কেট নির্মাণ করেছেন। এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোকতার হোসেন জানান, এ উপজেলার সিংহভাগ খাস জমি অবৈধ দখলে রয়েছে। অবৈধ দখলীয় খাসজমি উদ্ধারের ব্যাপারে প্রক্রিয়া চলমান আছে।