কাল শুরু হচ্ছে ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৪, ২৩:১৮
তরুণদের নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশ, নাগরিক মূল্যবোধ ও উদ্যোক্তাসত্তা জাগ্রত করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট শুরু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দে এ সম্মেলনের আয়োজন করছে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার (বিওয়াইএলসি)। শুক্রবার এ সম্মেলন শেষ হবে। সম্মেলনে পাঁচটি মহাদেশের বাংলাদেশসহ ৬১টি দেশের ৫০০ ছাত্র ও তরুণ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত বক্তারা এতে যোগ দেবেন।
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের (বিওয়াইএলসি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইজাজ আহমেদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং যুক্তরাজ্য সরকার (ডিএফআইডি) ও ইউএনডিপির অর্থায়নে সম্মেলনটি আয়োজন করেছে বিওয়াইএলসি। দেশে তৃতীয়বারের মত এ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। এ বছর সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘জননেতৃত্বের মানসকে শক্তিশালীকরণ: আমি থেকে আমরা, একটি যাত্রা’।
ইজাজ আহমেদ বলেন, নেতৃত্ব এমন একটি বাহন যা আমাদের বর্তমান ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের মাঝে একটা যোগসূত্র স্থাপন করতে পারে এবং এই নেতৃত্বটি আসবে তরুণ সমাজের কাছ থেকে। আর তাই তরুণদের প্রতিশ্রুতি এবং সম্ভাবনা প্রচার করা ও তাদের মধ্যে জনসেবা, কার্যকরী নাগরিকত্বের মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছি। তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়নে ও বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করতে তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এজন্য তরুণদের সততা ও নেতৃত্বগুণের বিকাশের বিকল্প নেই।
যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগের বাংলাদেশ প্রতিনিধি সারাহ কুক বলেন, জননেতৃত্ব ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব কিংবা উদ্যোগের মতো সমান গুরুত্বপূর্ণ। সততা, লক্ষ্য নির্ধারণ, সমঝোতা এবং সুযোগকে কাজে লাগানোর ক্ষমতার মাধ্যমে সুন্দর ভবিষ্যত্ গড়ার লক্ষ্যে সংস্কারমূলক ও পরিবর্তনমূলক কাজ করাই হলো জননেতৃত্ব।
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি নিল ওয়াকার বলেন, তারুণ্য এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো তাদের জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে অধিকতর সুবিধা বের করতে পারবে। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ তরুণদের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে।